ইনজুরি সময়ের খেলা শেষ হতে তখন আর এক মিনিটও বাকি নেই। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৯৬ মিনিট। ঠিক সেই মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির চমৎকার গোল! আর তাতেই জাপানকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নাটকীয় জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করল ব্রাজিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য ছিল ব্রাজিলের। প্রথমার্ধে প্রায় ৭৫ শতাংশ সময় বল নিজেদের দখলে রেখেও গোলের দেখা পায়নি তারা। একের পর এক আক্রমণ করলেও জাপানের সংগঠিত রক্ষণ ও গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় হতাশ হতে হয় ব্রাজিলকে।
উল্টো ২৯তম মিনিটে হাইড্রেশন বিরতির পর সুযোগ কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় জাপান। মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে সানো দ্রুত এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান। তাতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় জাপান।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে মাঠে নামে ব্রাজিল। লুকাস পাকেতার বদলে এন্দ্রিককে নামানো হয়। একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে ৫৬তম মিনিটে সমতায় ফেরে তারা। কর্নারের পর গোলমুখে সৃষ্ট জটলায় কাছ থেকে বল জালে পাঠান কাসেমিরো।
গোল শোধের পর জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দারুণ ড্রিবলিংয়ে একাধিকবার জাপানের রক্ষণভাগ ভেঙে ফেললেও তার একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এন্দ্রিক, গিমারায়েস ও রায়ানও সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মিলছিল না।
ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্ত। যোগ করা সময়ের ৯৬তম মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি গোল করে ব্রাজিলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এরপর আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি জাপান।
শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানের রোমাঞ্চকর জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। পুরো ম্যাচে দারুণ লড়াই করেও শেষ মুহূর্তের গোলে হার মেনে নিতে হয় জাপানকে।
আরু/


