কুরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হলো ‘আয়াতুল কুরসি’ (সূরা বাকারা: ২৫৫)। প্রতি ফরজ নামাজের পর এটি পাঠ করলে জান্নাতের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না। এছাড়াও সকালে-বিকেলে পাঠ করলে শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত পাওয়া যায় এবং রাতে ঘুমানোর আগে পড়লে সকাল পর্যন্ত আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত থাকে।
আয়াতুল কুরসির প্রধান ফজিলত ও আমলসমূহ:
জান্নাত লাভের উপায়: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না।
শয়তান ও জীন থেকে সুরক্ষা:
নিয়মিত সকাল ও সন্ধ্যায় পাঠ করলে জিন ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকা যায়। ঘুমানোর আগে পড়লে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন ফেরেশতা সারারাত হেফাজত করেন।আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত: এই আয়াতে আল্লাহর একত্ব, অসীম ক্ষমতা ও গুণাবলি (যেমন—চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী, নিদ্রাহীন) বর্ণিত হয়েছে। এটি পাঠে ঘরে রহমত বর্ষিত হয় এবং শয়তান পালিয়ে যায়।
আয়াতুল কুরসি ও এর বিস্তারিত আমল সম্পর্কে আরো জানতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মতো নির্ভরযোগ্য ইসলামিক তথ্য বা ইসলামিক স্কলারদের বই পড়তে পারেন।
ইতি/


