kbctgbd
২৩ জানুয়ারি ২০২৫ ২:১৮ পূর্বাহ্ণ
জহির সিকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ সারকারখানায় সার উৎপাদনের লক্ষ্যে পর্যাপ্ত গ্যাসের প্রবাহ বৃদ্বির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে সারকারখানার মুল গেইটের ভিতরে এএফসিসিএল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের আয়োজনে উক্ত মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শত চেষ্টার পরেও উৎপাদনে ফিরতে পারছে না আশুগঞ্জ সার কারখানা(সাবেক জিয়া সারকারখানা) ।কারন গ্যাসের চাপ কম। কারখানার চাহিদা অনুযায়ী বা সার উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ না থাকার কারনে সার উৎপাদনে যেতে পারছেনা কারখানাটি। বিতরণ সংস্থা বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (বিজিডিসিএল) কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও মিলছে না সমাধান।
কর্তৃপক্ষকে। জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কারখানার উৎপাদন বিভাগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বিজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ।কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক-কর্মচারীগণ বিভিন্ন সময় উৎপাদন বিভাগে গ্যাস সরবরাহের দাবি জানালেও গ্যাস সরবরাহ করা হয়নি। অবশেষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের গত নভেম্বর মাসের ১৫ তারিখে পুণরায় গ্যাস সরবরাহ দেয় বিজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ। গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর পরই কারখানা চালুর উদ্যোগ শুরু করে এএফসিএল কর্তৃপক্ষ। তবে নির্ধারিত চাপে গ্যাস না পাওয়ায় ইউরিয়া শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না।উল্লেখ্য যে, গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায়ই বন্ধ থাকে উৎপাদন। দৈনিক ১৬০০ টন উৎপাদন ক্ষমতার এ কারখানাটি এখন জোড়াতালি দিয়ে ১১০০ থেকে ১২০০ টন পর্যন্ত সার উৎপাদন করতেই হিমশিম খাচ্ছে।
৩৮ বছর আগে প্রথম ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড বা আশুগঞ্জ সারকারখানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাড়াও কারখানাটি কমান্ডভুক্ত (আওতাভূক্ত) আরও কয়েকটি জেলায় ইউরিয়া সারের যোগান দেয়।গ্যাস সংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে প্রায়ই বন্ধ থাকে উৎপাদন। বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ১২০০ টন ইউরিয়া উৎপাদন ঠিক থাকলেও বাংলাদেশ কেমিক্যালইন্ড্রাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে কারখানাটি। বছর বছর যন্ত্রাংশ মেরামতের বদলে নতুন যন্ত্রাংশ সংযোজন করলেই উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।
জানা গেছে, ১৯৮১ সালে আশুগঞ্জ উপজেলার চরচারতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাশে ৫৩৬.১৩ একর জায়গা নিয়ে স্থাপিত হয় আশুগঞ্জ সারকারখানা। ওই বছরের ১৫ ডিসেম্বর পরীক্ষামূলকভাবে ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করে বিসিআইসির এই কারখানাটি। এরপর ১৯৮৩ সালের ১ জুলাই বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু হয়। বর্তমানে এখানে ১৯১ জন কর্মকর্তা ও ৭০৮ জন কর্মচারী-শ্রমিক কাজ করছেন। ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল প্রাকৃতিক গ্যাস, পানি ও বাতাস। পানির যোগান দেয়া হয় কারখানা সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকেই। উৎপাদিত সার কমান্ডভুক্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ জেলার (কিছু অংশ) ডিলারদের কাছে সরবরাহ করা হয়। দৈনিক ১৬০০ টন করে বছরের ৩৩০ দিনে মোট পাঁচ লাখ ২৮ হাজার টন ইউরিয়া সার উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে সারকারখানাটির।
কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সাধারণত একটি কারখানার যন্ত্রপাতি ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করতে সক্ষম। আর সেজন্য যন্ত্রপাতির আয়ুষ্কালও ধরা হয় সর্বোচ্চ ২০ বছর। এই আয়ুষ্কাল পার হওয়ার পর থেকেই যন্ত্রপাতিগুলোতে নানা ধারণের ত্রুটি দেখা দেয়। কয়েকশ কোটি টাকা মূল্যের অ্যামোনিয়া কম্প্রেসার, প্রসেস এয়ার কম্প্রেসার ও সিংগ্যাস কম্প্রেসার এবং এসনসি বয়লারসহ ৩৮ বছর পুরনো বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে প্রায়ই ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। দাম বেশি হওয়ায় এসব যন্ত্রাংশ নতুন করে সংযোজন করতে না পেরে নিয়মিত মেরামত করে কোনো রকমে টিকিয়ে রাখা হয়েছে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম।৩৮ বছর আগে সরবরাহকারী বেশ কিছু যন্ত্রপাতির প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মেরামতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশও খুঁজে পাওয়া যায়না।
বর্তমানে কারখানাটি চালু না থাকায় চলতি মৌসুমে কৃষকরা ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে পারছেনা। ফলে অধিক দামে অন্য জাতের সার কিনে জমিতে দিতে হচ্ছে। তাতে করে অনেক কৃষক হতাশার মধ্যে রয়েছে। তারা অতি দ্রুত সারকারখানাটি সচল করে চালুর দা্বী জানান। শত শত কোটি টাকার পুরনো যন্ত্রপাতি বদলে নতুন যন্ত্রপাতি সংযোজন না করে বছর-বছর সংস্কার-মেরামতের পেছনেই কোটি কোটি খোয়াচ্ছে সরকার। কারখানা শ্রমিক নেতৃবৃন্দের দাবি,ইউরিয়া উৎপাদন না হওয়ায় একদিকে যেমন ইউরিয়া উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে অন্যদিকে অহেতুক দৈনিক প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকার গ্যাস বিল কারখানা কর্তৃপক্ষকে পরিশোধ করতে হচ্ছে। তারা জানায়, কারখানার অবস্থান গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) নিকটে। সুতরাং বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করলে নির্ধারিত চাপে গ্যাস দেওয়া সম্ভব। তবে বিজিডিএল কর্তৃপক্ষের দাবি, গ্যাসের গ্রিড লাইনে গ্যাসের চাপ কম। ফলে নির্ধারিত চাপে গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বারবার অবহিত করে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও বাস্তবে তা আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়ে উঠেনী। কারখানা সূত্র থেকে জানা যায়, কারখানায় সার উৎপাদন এবং বিভিন্ন প্ল্যান্ট পূর্ণ শক্তিতে চালু রাখতে ৪০ থেকে ৪২ বার চাপে (৫৮৮ থেকে ৬২০ পিএসআই) দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ এমএমসিএফ গ্যাসের প্রয়োজন। কিন্ত গ্যাস সংযোগ দেওয়ার পর গ্যাসের চাপ ঠিক থাকলেও পরে তা কমে যায়। এতে ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না।এদিকে বিজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশে গ্যাসের উৎপাদন ও এলএনজি আমদানি কম থাকায় গ্যাসের গ্রিড পাইপ লাইনে চাপ কম।
জানা যায়, দেশের অন্যতম ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান আশুগঞ্জ সার কারখানাটি ১৯৮১ সালে স্থাপন করা হয়। এর দুই বছর পর ১৯৮৩ সালে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যায়। তখন উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ১ হাজার ৬০০ টন। এখানে উৎপাদিত সার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ ১০টি জেলায় সরবরাহ করা হয়। তবে কারখানাটির আয়ুষ্কাল ফুরিয়ে আসায় দিন দিন কমছে উৎপাদন ক্ষমতা। বিগত এক দশক ধরে যান্ত্রিক ত্রুটিসহ গ্যাস সংকটের কারণে বার বার কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। চলতি বছরও প্রায় নয় মাস কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। কারখানা চালু থাকলে দৈনিক ১ হাজার থেকে ১ হাজার ১৫০ টন ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব হয়।
প্রতি টন ইউরিয়ার বিক্রয় মূল্য (কারখানা থেকে ডিলার ও ভর্তুকিসহ মূল্য ৩৮ হাজার) ২৫ হাজার টাকা হিসেবে গত প্রায় নয় মাসে (২৬৮ দিন) কমপক্ষে ৬৭০ কোটি টাকা মূল্যের ২ লাখ ৬৮ হাজার টন ইউরিয়া উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। কারখানাসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, উৎপাদন বন্ধ থাকায় সরকারকে বিদেশ থেকে সার আমদানি করতে হচ্ছে। এতে আর্থিক ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃষকরাও মানসম্মত সার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।অবশ্য সরকার বিদেশ থেকে সার আমদানী করে কৃষকদের চাহিদা পুরন করে থাকলেও কৃষকদের কাছে আমদানিকৃত সার থেকে আশুগঞ্জ সারকারখানার উৎপাদিত সারের চাহিদা বেশি। কৃষক এই সার ব্যবহার করতে করতে এটার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে গেছে।তাই অন্য সারের দাম কম হলেওআশুগঞ্জ সারকারখানার উৎপাদিত সারই চান কৃষকরা।
কারখানার শ্রমিক ইউনিয়ন সূত্র জানিয়েছে, গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। এরপর ওই বছরের ২০ নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উৎপাদন সচল রাখে প্রতিষ্ঠানটি। তবে গ্যাস সংকটের কারণে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারো কারখানাটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তখন গ্যাস সরবরাহের দাবিতে আন্দোলনে নামেন কারখানার শ্রমিকরা। কয়েক দফায় মানববন্ধন করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপিও দেয়া হয়। অবশেষে গত নভেম্বরের ১৫ তারিখে কারখানায় গ্যাস সরবরাহ দেয়া হয়।
বিজিডিসিএল ও এএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কারখানার উৎপাদন বিভাগে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয় বিজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিক-কর্মচারীরা বিভিন্ন সময় উৎপাদন বিভাগে গ্যাস সরবরাহের দাবি জানালেও গ্যাস সরবরাহ করা হয়নি। অবশেষে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ১৫ নভেম্বর সকাল থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে বিজিডিসিএল কর্তৃপক্ষ।
এব্যাপারে কারখানার সিবিএর সাধারণ সম্পাদক মো. আবু কাউছার বলেন, গ্যাসের চাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে। ফলে কারখানার ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি বিতরণকারী কর্তৃপক্ষকে সার কারখানা কর্তৃপক্ষ অবহিত করার পরেও সমাধান মিলছে না। তিনি আরো বলেন, দৈনিক প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকার গ্যাস পুড়ানো হলেও ইউরিয়া উৎপাদন সম্ভব না হওয়ায় আর্থিক ক্ষতির মুখে কারখানা কর্তৃপক্ষ। আশুগঞ্জ সার কারখানাটি গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জিটিসিএলের খুবই নিকটে। সে হিসেবে বিতরণকারী কর্তৃপক্ষ ইচ্ছে করলেই গ্যাসের চাপ বাড়িয়ে দিতে পারেন। তিনি আরো বলেন, দেশের অন্যান্য কারখানাগুলোতে পুরোপুরি গ্যাস সরবরাহ ও উৎপাদন অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হলে আশুগঞ্জ সারকারখানা সাবেক জিয়া সারকারখানা কেন পুরোপুরি গ্যাস সরবরাহ পাবেনা তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেন। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, এর পিছনে কোন অদৃশ্য শক্তি বা বিদেশী চক্রান্ত কিংবা ফ্যাসীবাদের দোসরতের হাত রয়েছে কিনা, তা না হলে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান সাবেক জিয়া সারকারখানা বর্তমানে আশুগঞ্জ সারকারখানাটি কেন শুধুমাত্র গ্যাসের অভাবে ও কিছু যন্ত্রপাতির কারণে বন্ধ থাকবে। তাই তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শিল্প উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন,অতি শীঘ্রই উক্ত সারকারখানাটিকে উৎপাদনমুখী করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পুরনে ব্যবস্থা নিবেন। যতদিন কারখানা চালু না হবে ততদিন আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে ও তিনি জানান। কারখানার আওতাভুক্ত সার ডিলারও এলাকাবাসীরা ও চাচ্ছেন আশুগঞ্জ সারকারখানাটি ( সাবেক জিয়া সারকারখানা) উৎপাদনে থাকুক।
অনুষ্ঠিত উক্ত মানববন্ধনে এএফসিসিএল শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি (রেজিঃ নং-বি-১৭৭১) মো: বজলুর রশিদের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আক্তার হোসেন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো:আব্দুল বারেক,অফিসার্স ওয়েলফার এসোশিয়েশনের নেতা মো: জহিরুল ইসলাম, মো: আব্দুল হান্নান (ডেপুটি চিফ ইঞ্জিনিয়ার এএফসিসিএল) সহ প্রমুখ নেভৃবর্গ। এ সময় সিবিএর অন্যান্য কর্মকর্তাগণ ছাড়াও সর্বস্তরের শ্রমিক,কর্মচারী ও কর্মকর্তাগন এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে,মানববন্ধন শেষে কারখানার শ্রমিক কর্মচারীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি কারখানার মুল ফটক থেকে প্রশাসনিক ভবনরোড ঘুরে শেষ করেন।এব্যাপারে কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রদীপ কুমার নাথকে তার মুঠোফোনে (০১৮১৪৮৩৫৩৫৮) একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননী।
পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবরবাংলা২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন info@khaborbangla24.com ঠিকানায়।