জহির সিকদার, আশুগঞ্জ(ব্রাহ্মণবাড়িয়া) সংবাদদাতাঃ
ভারতের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বর্ষণে সীমান্তবর্তী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি আরো অবনতি হয়েছে। আখাউড়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও কসবা উপজেলার একটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পাশাপাশি আখাউড়ার খলাপাড়া এলাকায় হাওড়া নদীর দু’টি স্থানে বাঁধ ভেঙে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অন্তত এক হাজার ২০০ পরিবার।
বুধরাত রাত থেকে ঢলের পানি তীব্র গতিতে বিভিন্ন গ্রামে প্রবেশ করে। এতে আখাউড়া উত্তর, দক্ষিণ, মোগড়া ও মনিয়ন্দ, কসবা উপজেলার বায়েকসহ মোট সাতটি ইউনিয়নের ৪০টিরও বেশি গ্রামের বাসিন্দারা পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এছাড়াও পানির নিচে তলিয়ে গেছে পাঁচ হাজার ৪৭৬ হেক্টর ধানি জমি, ৭৫০ হেক্টর শাকসবজির জমি, ২০০ হেক্টর ধানের বীজতলাসহ বিভিন্ন মাছের ঘেড়।
স্থানীয় ও প্রশাসন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত থেকে আখাউড়ায় ভারী বর্ষণ শুরু হয়। বুধবার সকাল থেকে বন্দরের পাশে বয়ে যাওয়া খালে ভারত থেকে তীব্র বেগে পানি ঢুকতে থাকে। একপর্যায়ে স্থলবন্দর, বাউতলা, বীরচন্দ্রপুর, কালিকাপুর, বঙ্গেরচর, সাহেবনগরসহ অন্তত ৩৪টির বেশি গ্রামে পানি ঢোকে। ভেঙে যায় গাজীরবাজার এলাকার অস্থায়ী সেতু। ফলে আখাউড়া স্থলবন্দরের রফতানি কার্যক্রম বন্ধের পাশাপাশি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে যাত্রী পারাপারও বন্ধ রয়েছে।
আখাউড়া উপজেলা কৃষি অফিসার তানিয়া তাবাসসুম বলেন, এক হাজার ৬৫০ হেক্টর কৃষি জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এর মধ্যে রুপা আপন এক হাজার ৬০০ হেক্টর।



