এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে এবার সার্বিক পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। তবে বোর্ডভেদে ফলাফলে দেখা গেছে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য। কোথাও পাসের হার ৫২ শতাংশের ওপরে, আবার কোথাও তা নেমে এসেছে ৪৫ শতাংশের নিচে।
প্রকাশিত প্রাথমিক বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১ দশমিক ৪৪ শতাংশ
অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি বিএম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার ৪৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
বোর্ডভিত্তিক প্রাথমিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফল। চট্টগ্রামে পাসের হার জাতীয় গড়ের প্রায় কাছাকাছি হলেও কুমিল্লায় তা জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশ কম। যশোর ও বরিশাল বোর্ডেও পাসের হার ৪৫ শতাংশের নিচে রয়েছে।
জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হিসাবে সারা দেশে মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড অর্জন করেছেন। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ হাজার ৩১৩ জন। তবে অন্য বোর্ডগুলোর জিপিএ-৫-এর পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা সম্বলিত নির্ভরযোগ্য তালিকা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। গত ২ জুলাই শুরু হওয়া পরীক্ষা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডে কয়েকটি বিষয়ে স্থগিত হলেও পরে সেগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
সব মিলিয়ে এবারের ফলাফলে জাতীয় গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। বোর্ডভেদে পাসের হারের এই পার্থক্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফল ও শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আরু|



