হামলা থেকে বিরত থাকার শর্তে ইরানকে প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এরই মধ্যে প্রথম ধাপে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট চারটি সূত্র। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
সূত্রগুলোর বরাতে জানা গেছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির মধ্যেই এই আর্থিক সহায়তার বিষয়টি সামনে আসে। তবে এই অর্থ আমিরাতের নিজস্ব তহবিল, নাকি অন্য দেশে জব্দ বা আটকে থাকা ইরানি সম্পদের অংশ—সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মার্কিন মিত্র দেশের ওপর পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। সেই হামলার প্রভাবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যায় এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতও ক্ষতির মুখে পড়ে। এতে দুবাইয়ের পর্যটন খাতেও প্রভাব পড়ে বলে জানা যায়।
পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে আর হামলা না চালানোর শর্তে ইরানকে বড় অঙ্কের অর্থ সহায়তার প্রস্তাব দেয় আমিরাত।
সূত্রগুলো বলছে, মোট প্রস্তাবিত সহায়তার পরিমাণ প্রায় দুই হাজার কোটি ডলার।
তবে এই অর্থ আমিরাতের নিজস্ব তহবিল নাকি আন্তর্জাতিকভাবে জব্দ থাকা ইরানের অর্থ—এ বিষয়ে কোনো পক্ষই নিশ্চিত তথ্য দেয়নি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান বা সংযুক্ত আরব আমিরাত কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি স্বীকার বা নিশ্চিত করেনি।
এদিকে, জব্দকৃত ইরানি সম্পদ ফেরত না দিলে কোনো চুক্তি হবে না বলে সম্প্রতি তেহরান কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, কোনো চুক্তি বা বৈঠকে অগ্রগতি হলে ইরানের অর্থ ছাড় দেওয়া হতে পারে।
বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নাম প্রকাশ না করার শর্তে তথ্য দিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরু/



