মাসুদ রানা জামালপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
একসময় কুলা চালুন বিক্রি করে কোনরকমে দিন চালালেও বর্তমানে ব্যবসায় উপার্জিত টাকায় শহরের ছনকান্দা এলাকায় কিনেছেন জমি।
গ্রামেও জমি কিনেছেন, বানিয়েছেন বাড়ি,চলেন সুজুকি জিক্সার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেলে।প্রতিদিন ১২০-২৪০ কেজি পোল্ট্রি মুরগির পা,ঘিলা,কলিজা জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় নিয়ে বিক্রি করেন সহযোগী শুক্কুর আলী।
মরা পঁচা মুরগীর দুর্গন্ধযুক্ত পা,ঘিলা, কলিজা বিক্রি করে কোটিপতি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে সুজন মিয়া নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। সুজন মিয়ার বাড়ি জামালপুর সদরের শরিফপুর ইউনিয়নের ডেঙ্গারঘর এলাকায়।
ব্যবসার সুবাদে পৌর শহরের বানিয়া বাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন।জামালপুর ব্রহ্মপুত্র সেতুর নিচে অবৈধভাবে গড়ে তোলা একটা ভাড়া ঘর থেকে এ ব্যবসা পরিচালনা করেন তিনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, মুরগির পা, ঘিলা, কলিজার বস্তা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, চারপাশে মাছি ভনভন করছে। এসব বিষয়ে জানতে চাইলে সুজন মিয়া বলেন,দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা করি।আমি এত কিছু বুঝি না, কোম্পানি থেকে মাল কিনে এনে বিক্রি করি।
কোম্পানির মালের চালান আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, চালান বাড়িতে। চালান বাড়িতে মাল দোকানে কিভাবে জিজ্ঞেস করলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।
এসব কতটা স্বাস্থ্যকর জানতে চাইলে জামালপুর সদর উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকতা ডা. উত্তম কুমার সরকার বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া কোন কিছু এভাবে কেউ বিক্রি করতে পারেন না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করার পরামর্শ দেন তিনি। জানতে চাইলে জামালপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস জানান, তিনি ছুটিতে আছেন। সহকারী ভূমি কর্মকর্তাও নতুন যোগদান করেছেন।
ছুটি থেকে ফিরে বিষয়টি তিনি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা করবেন বলে জানান তিনি। ( ছবিতে- মোবাইলে কথা বলছেন অভিযুক্ত সুজন মিয়া)


