কক্সবাজারসহ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) রাত পৌনে ১০টার দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানায়, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪। এর উৎপত্তিস্থল ছিল কক্সবাজার-মিয়ানমার সীমান্তবর্তী এলাকায়। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি ছিল অগভীর, ফলে উৎপত্তিস্থলের আশপাশে কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই হালকা কম্পন অনুভব করার কথা জানিয়েছেন। কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকা এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আরও কয়েকটি জেলায় এ কম্পন টের পাওয়া যায়। তবে কোনো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা প্রাণহানির তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় মাঝেমধ্যেই ছোট ও মাঝারি মাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। সাম্প্রতিক সময়েও দেশে একাধিক ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
এর আগে গত ২২ জুন রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় ৪ দশমিক ৪ মাত্রার একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল নারায়ণগঞ্জ-রূপগঞ্জসংলগ্ন এলাকা। এছাড়া ১২ জুন সিলেট-ভারত সীমান্ত এলাকায় ৪ দশমিক ৫ মাত্রার এবং ৭ জুন ভুটানের পুনাখা অঞ্চলে উৎপন্ন ৫ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্প বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অনুভূত হয়েছিল।
ভূমিকম্পের পর আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা, ভবন থেকে দ্রুত বের হওয়ার সময় সতর্কতা অবলম্বন করা এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরু/


