জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তার কাছ থেকে রাজনীতি শিখতে বাসায় আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি করেন তিনি। একই পোস্টে অনলাইনে হয়রানির শিকার হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে এনসিপির সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মেঘনা।
মেঘনা আলম লেখেন, ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমার কাছে রাজনীতি শিখতে আমার বাসায় আসতে চান। অথচ যখন প্রশ্ন করলাম, অনলাইনে হয়রানি করা লোক কি এনসিপির? তখন মুখে তার কুলুপ এঁটে গেল।’
তার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি অনলাইনে হেনস্তার ঘটনায় কারা জড়িত এবং এর সঙ্গে এনসিপির কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না_এমন প্রশ্ন তুলেছিলেন। তবে ওই প্রশ্নের কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাননি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও মেঘনা আলমের মধ্যে রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টি অবশ্য নতুন নয়।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মেঘনা আলম জানিয়েছিলেন, পাটওয়ারী তাকে ফোন করে শিগগিরই তার বাসায় আসার কথা জানিয়েছিলেন। সে সময় তিনি এনসিপির নেতা-কর্মীদের জন্য ‘ফ্রি কোর্স’ দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। বিষয়টি একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।
এদিকে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বর্তমানে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয়। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন। একই আসনে মেঘনা আলমও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
মেঘনা আলমের সর্বশেষ এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে তার দাবির বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কিংবা এনসিপির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফলে অনলাইনে হয়রানির অভিযোগ এবং এ ঘটনায় এনসিপির কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না_তা মেঘনা আলমের বক্তব্যের বাইরে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আরু|



