যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও ভবিষ্যতে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।
এদিকে ইরানের বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি শহর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির আশপাশের দ্বীপগুলোতে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব বিস্ফোরণের পর ওই অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে এ দাবির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
মার্কিন প্রশাসন ইতোমধ্যে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ (ব্লকেড) পুনর্বহাল করেছে।
একই সঙ্গে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি আলোচনায় না ফেরে, তাহলে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
এর জবাবে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে।
তেহরান জানিয়েছে, তারা কোনো অবস্থাতেই আত্মসমর্পণ করবে না। ইরানের জাতীয় অবকাঠামোর ওপর হামলা হলে ইসরায়েলকেও এর কঠোর মূল্য দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।
এদিকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের যে পরিকল্পনার কথা আগে উঠেছিল, তা থেকে সরে এসেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সংঘাতের কারণে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আরু/


