চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি বাসে যাত্রীর হাতে থাকা দুটি কোর্ট ফাইলের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৬০ লাখ টাকা মূল্যের ইয়াবা। বিশেষ কৌশলে ফাইল দুটির ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ১৯ হাজার ৮৪৫ পিস ইয়াবা।
এ ঘটনায় মো. শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৭ (এসআরবি-৭)। বুধবার চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় এসআরবি।
এসআরবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, চট্টগ্রাম শহর থেকে একটি যাত্রীবাহী বাসে করে ইয়াবার চালান নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছেন এক ব্যক্তি। এর ভিত্তিতে বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের লালবাগ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসানো হয়।
পরে সকাল পৌনে ১১টার দিকে মহিউদ্দিন মেরিন ইঞ্জিন স্টোরের সামনে স্টারলাইন পরিবহনের একটি বাস থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা শহিদুল ইসলামকে আটক করা হয়।
তল্লাশির একপর্যায়ে তার কাছে থাকা অ্যাশ রঙের দুটি কোর্ট ফাইলের ভেতর বিশেষ কৌশলে লুকানো নীল রঙের পলিজিপার প্যাকেট পাওয়া যায়। প্যাকেটগুলো কসটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল। সেগুলোর ভেতর থেকে মোট ১৯ হাজার ৮৪৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-৭-এর দাবি, উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ৫৯ লাখ ৫৪ হাজার টাকা।
গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলাম খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার দরগাপাড়ার আলী মিয়ার ছেলে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম শহর থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে বেশি দামে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করে আসছিলেন।
এসআরবি-৭ চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এ মোজাফফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তার শহিদুল ইসলাম ও উদ্ধার করা ইয়াবা পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সীতাকুণ্ড থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে বিভিন্ন সময় যাত্রীবাহী পরিবহনে মাদক পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। এবারও সাধারণ কাগজপত্র রাখার কোর্ট ফাইলকে ব্যবহার করে ইয়াবা বহনের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে এসআরবি।
আরু|



