সাবেক মন্ত্রী ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ আর জীবিত নেই।
সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা, প্যারালাইসিসসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পরিবারের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানে তিনি নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা রাখেন, যা তাকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করে তোলে।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরবর্তী সময়ে তিনি ৯ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং একাধিকবার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পারিবারিক জীবনে তিনি স্ত্রী আনোয়ারা বেগম এবং একমাত্র কন্যা ডা. তাসলিমা আহমেদ জামান মুন্নীকে রেখে গেছেন।



