মো. কামাল উদ্দিনঃ
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
ছেলেহারা শত মায়ের অঙ্গ-গড়া এ ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি
আমার সোনার দেশের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারি
আমি কি ভুলিতে পারি।
এই কবিতাটি আব্দুল গাফফার চৌধুরী ঢাকা কলেজে পড়াকালীন ৫২ একুশে ফেব্রুয়ারি দিন ছাত্রদের বুকে পুলিশ গুলি হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি কলেজ থেকে বাসায় গিয়ে লিখেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক কবিতা আজ আমাদের মহান একুশের প্রভাতফেরির গান হিসেবে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে। আমি এই গান ছোট বেলা হতে শুনে আসছি, যতই শুনি ততই শুনতে ইচ্ছে হয়। কোনধরনের বিরক্ত লাগেনা। এই গানের রচয়িতা বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের কিংবদন্তি সাংবাদিক গবেষক ইতিহাসবীদ লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরীর লেখার আমি একজন ভক্ত। আমি উনার লেখা নিয়মিত পড়তাম ৮৭/৮৮/ সালে সাপ্তাহিক কাগজে, এরপর দৈনিক রুপালী পত্রিকায়, এরপরতো অসংখ্য পত্রিকায় তিনি লিখতেন তা পড়তাম। উনার লেখা অসংখ্য বই আমি পড়েছি। আমি উনার লেখার ভক্ত, এরশাদের সময় তিনি এরশাদের বিরুদ্ধে লম্পট রাজার কান্ড আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, প্রথম আলোর প্রথম সংখ্যায় সম্পাদক মতিউর রহমানকে নিয়ে লিখেছেন খোয়াজ খিজির রঃ চশমা। এই ধরনের শত শত আলোচিত-সমালোচিত লেখা তিনি লিখেছেন, তিনি পলাশি থেকে ধানমন্ডি টেলিফিল্ম নিজের লেখা দিয়ে বানিয়ে ছিলেন তা একটি জীবন্ত ইতিহাসের ডকুমেন্টারি- এই অল্প লেখাতে উনার বিষয়ে বেশি কিছু লেখা সম্ভব নয়।তবুও আজ উনার মৃত্যু বার্ষিকী তাতে উনার প্রতি শ্রদ্ধাজানিয়ে গাফফারচৌধুরী স্মরণে এই লেখাটি লিখলাম।
তিনি ২০২২ সালের ১৯ মে লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সাত দশকের বেশি সময় ধরে দুই হাতে লিখে গেছেন। তার এই লেখার বেশিরভাগই ছিল রাজনৈতিক ভাষ্য।
যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করার উদ্যোগ নিয়েছে আব্দুল গাফফার চৌধুরী স্মৃতি সংসদের জাতীয় কমিটি। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে আজ (রোববার) বেলা ১১টায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর কবরে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ও মোনাজাত, বেলা ৩টায় শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে তার জীবনভিত্তিক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, বিকাল ৪টায় একই মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এতে সমবেত কণ্ঠে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি.., পলাশী থেকে ধানমণ্ডি নাটকের খণ্ডাংশ পরিবেশনা, আলোচনা ও স্মৃতি তর্পন করা হবে।
সারাদেশে ও প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক-অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সমর্থকদের দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করার অনুরোধ জানিয়েছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী স্মৃতি সংসদ জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্য সচিব সৈয়দ সামাদুল হক।
আবদুল গাফফার চৌধুরীকে একনজরে দেখা- ১২ ডিসেম্বর ১৯৩৪ থেকে ১৯ মে ২০২২ ছিলেন একজন বাংলাদেশী গ্রন্থকার, কলাম লেখক। তিনি ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো-এর রচয়িতা। তিনি স্বাধীনতা যুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা সাপ্তাহিক জয়বাংলার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন। তিনি তাঁর কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬৭ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩ সালে একুশে পদক ও ২০০৯ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
আব্দুল গাফফার চৌধুরী ১২ ডিসেম্বর ১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির বাকেরগঞ্জ জেলার মেহেন্দিগঞ্জ মহকুমার উলানিয়া জমিদার বাড়িতে একটি বাঙ্গালী মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন,যারা উলানিয়ার চৌধুরী বংশ হিসাবে পরিচিত। তাঁর পূর্বপুরুষ শায়খ মহম্মদ আসাদ আলী পারস্য থেকে ভারতবর্ষের অযোধ্যা শহরে আসেন তারপর চলে যান বাংলার মুর্শিদাবাদে।[২] তাঁর নাতির ঘরের নাতির ছেলে মহম্মদ হানিফ ছিলেন সুবাহদার শায়েস্তা খাঁর অন্যতম সেনানায়ক হিসাবে মগ-পর্তুগিজ জলদস্যু দমনে কর্মরত এবং গোবিন্দ পুরের সংগ্রাম কেল্লার জমাদার ছিলেন।
তাঁর বাদে হানিফ বৃহত্তর বরিশালের তেতুলিয়া গাঁওয়ে বসবাস শুরু করেন। এই বংশের মহম্মদ তকি তেঁতুলিয়া জমাদার বাড়ি ছেড়ে উলানিয়ায় বসতি স্থাপন করেন। তাঁর ছেলে নয়া রাজা হলেন আব্দুল গাফফার চৌধুরীর পরদাদা এবং তিনি তাঁর দুই ভাই হাসন রাজা ও কালা রাজার সাথে সুপারি, লবণ, চালের ব্যবসা করে কলকাতার মারোয়াড়িদের বিখ্যাত বণিক হুকুম চাঁদের সাথে মিত্রতা পান। তিন পরদাদারা লালগঞ্জ, আলিগঞ্জ ও কালিগঞ্জ বন্দর প্রতিষ্ঠা করেন এবং প্রচুর টাকা সঞ্চয় করে ইদিলপুর জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেন। আব্দুল গাফফার চৌধুরীর সম্পূর্ণ নাম হলো: আব্দুল গাফফার চৌধুরী ইবনে ওয়াহেদ রাজা চৌধুরী ইবনে ফজেল আলী ইবনে নয়া রাজা ইবনে মহম্মদ তকি।
তাঁর বাবা ছিলেন হাজি ওয়াহিদ রেজা চৌধুরী ও মা মোসাম্মৎ জহুরা খাতুন। তিন ভাই, পাঁচ বোনের মধ্যে বড় ভাই হোসেন রেজা চৌধুরী ও ছোট ভাই আলী রেজা চৌধুরী। পাঁচ বোন হলেন মানিক বিবি, লাইলী খাতুন, সালেহা খাতুন, ফজিলা বেগম ও মাসুমা বেগম। তিনি লণ্ডন প্রবাসী ছিলেন।
আবদুল গাফফার চৌধুরী উলানিয়া জুনিয়র মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করে হাইস্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক পাস করে ভর্তি হন ঢাকা কলেজে। ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৮ সালে বিএ অনার্স পাস করেন। ১৯৪৬ সালে তাঁর পিতার মৃত্যুর পর তাঁকে চলে আসতে হয় বরিশাল শহরে। ভর্তি হন আসমত আলী খান ইনস্টিটিউটে। সেসময়ে আর্থিক অনটনের শিকার হয়ে উপার্জনের পথ খুঁজতে থাকেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কংগ্রেস নেতা দুর্গামোহন সেন সম্পাদিত ‘কংগ্রেস হিতৈষী’ পত্রিকায় কাজ শুরু করেন। বরিশাল শহরে তিনি কিছুদিন একটি মার্কসবাদী দল আরএসপি’র সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ছাত্র জীবনেই তাঁর সাহিত্য চর্চা শুরু হয়। ১৯৪৯ সালে সওগাত পত্রিকায় তাঁর প্রথম গল্প ছাপা হয়। বরিশালের সন্তান শামসুদ্দীন আবুল কালামের লেখা তখন কলকাতার প্রধান পত্রিকাগুলোতে ছাপা হতো।
১৯৫০ সালেই গাফফার চৌধুরীর কর্মজীবন পরিপূর্ণভাবে শুরু হয়। এ সময়ে তিনি ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। তখন বেতন পেতেন ৭০ টাকা। মহিউদ্দিন আহমদ ও কাজী আফসার উদ্দিন আহমদ তখন ”দৈনিক ইনসাফ” পরিচালনা করতেন। ১৯৫১ সালে ‘দৈনিক সংবাদ’ প্রকাশ হলে গাফফার চৌধুরী সেখানে অনুবাদকের কাজ নেন। কনিষ্ঠ অনুবাদক হিসেবে মাসিক বেতন পেতেন ১০০ টাকা। এরপর তিনি বহু পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৫৩ সালে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের ‘মাসিক সওগাত’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন গাফফার চৌধুরী। এসময় তিনি ‘মাসিক নকীব’ও সম্পাদনা করেন। একই বছর তিনি আবদুল কাদির সম্পাদিত ‘দিলরুবা’ পত্রিকারও ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন। ১৯৫৬ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক নিযুক্ত হন। ওই বছরই তিনি প্যারামাউন্ট প্রেসের সাহিত্য পত্রিকা ‘মেঘনা’র সম্পাদক হন। ১৯৫৮ সালে আবদুল গাফফার চৌধুরী দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক
তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার রাজনৈতিক পত্রিকা ‘চাবুকের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। কিন্তু কিছুদিন পর সামরিক শাসন চালু হলে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তিনি মওলানা আকরম খাঁ’র ‘দৈনিক আজাদ’-এ সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন। এ সময়ে তিনি মাসিক ‘মোহাম্মদীর’ও স্বল্পকালীন সম্পাদক হয়েছিলেন। ১৯৬২ সালে তিনি দৈনিক ‘জেহাদ’-এ বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দেন। ১৯৬৩ সালে তিনি সাপ্তাহিক ‘সোনার বাংলা’র সম্পাদক হন। পরের বছর ১৯৬৪ সালে সাংবাদিকতা ছেড়ে দিয়ে ব্যবসায় নামেন এবং অণুপম মুদ্রণ’ নামে একটি ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। দু’বছর পরই আবার ফিরে আসেন সাংবাদিকতায়। ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে ‘দৈনিক আওয়াজ’ বের করেন। সেটা বছর দুয়েক চলেছিল। ১৯৬৭ সালে আবার তিনি ‘দৈনিক আজাদ’-এ ফিরে যান সহকারী সম্পাদক হিসেবে। ১৯৬৯ সালে পত্রিকাটির মালিকানা নিয়ে সহিংস বিবাদ শুরু হলে তিনি আবার যোগ দেন দৈনিক ইত্তেফাকে’। ১৯৬৯ সালের পয়লা জানুয়ারি ইত্তেফাক সম্পাদক মানিক মিয়া মারা গেলে তিনি আগস্ট মাসে হামিদুল হক চৌধুরীর অবজারভার গ্রুপের দৈনিক ‘পূর্বদেশ’-এ যোগ দেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে সপরিবারে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে আগরতলা হয়ে কলকাতা
পৌঁছান। সেখানে মুজিবনগর সরকারের মুখপত্র ‘সাপ্তাহিক ‘জয়বাংলা’য় লেখালেখি করেন। এসময় তিনি কলকাতায় ‘দৈনিক আনন্দবাজার’ ও ‘যুগান্তর’ পত্রিকায় কলামিস্ট হিসেবে কাজ করেন। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ‘দৈনিক জনপদ’ বের করেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর
সঙ্গে আলজিয়ার্সে ৭২ জাতি জোট নিরপেক্ষ সম্মেলনে যান। দেশে ফেরার পর তার স্ত্রী গুরুতর রোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে কলকাতা নিয়ে যান। সেখানে সুস্থ না হওয়ায় তাঁকে নিয়ে ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে লণ্ডনের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান। এরপর তাঁর প্রবাস জীবনের ইতিহাস শুরু হয়। বিলেত যাওয়ার পর প্রথম দিকে তিনি বিভিন্ন গ্রোসারি দোকানে কাজ করেন। এরপর ১৯৭৬ সালে তিনি ‘বাংলার ডাক’ নামে এক সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদনা করেন। ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’ পত্রিকায়ও তিনি কিছুদিন কাজ করেছেন। ১৯৮৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি সাতজন অংশীদার নিয়ে ‘নতুন দিন’ পত্রিকা বের করেন। এরপর ১৯৯০ সালে ‘নতুন দেশ’ এবং ১৯৯১ সালে ‘পূর্বদেশ’ বের করেন। প্রবাসে বসে এখনও গাফফার চৌধুরী বাংলাদেশের প্রধান পত্রিকাগুলোতে জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত নিয়মিত লিখে গিয়েছেন। বাংলাদেশের শীর্ষ দৈনিকগুলোতে প্রকাশিত আবদুল গাফফার চৌধুরীর রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনা ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী নিয়ে লেখা কলাম অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাংলাদেশে তিনি আওয়ামী লীগ পন্থী কলামিস্ট হিসাবে পরিচিত এবং সমালোচিত ছিলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ প্রচারক হিসাবে তিনি রাজনৈতিক বিষয়াবলী ব্যাখ্যা করেছেন। আব্দুল গাফফার চৌধুরী ২০২২ সালের ১৯ মে সকাল ৬:৪৯ মিনিটে লণ্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।[৭] তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর। তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয় ২১ মে এবং এদিন দুপুর ১:১৩ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে তাঁকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। পরে ঢাকার মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্ত্রীর পাশে তাঁকে কবর দেওয়া হয়। পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন উনার এই অমর একুশের সংগীত আমাদের কাছে বেঁচে থাকবে।আমি উনার আম্মার প্রতি গভীর ভাবে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা শেষ করছি।
লেখকঃ সাংবাদিক, গবেষক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও মহাসচিব চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামে।


