সুদর্শন আচায্য, মদন- নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ
খানাখন্দে ভরা সড়কের অনেক জায়গায় সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তে। কোথাও কোথাও উঠে গেছে পিচ। সামান্য বৃষ্টিতেই জমে থাকে পানি এ কারণে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা।
নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় মদন- ফতেপুর সড়কের চরম ভোগান্তিতে পড়ছে তিনটি ইউনিয়নের লোকজন।এসড়ক দিয়ে উপজেলা সদর মদন, তিয়শ্রী ও ফতেপুরসহ তিনটি ইউনিয়নের শত শত মানুষ ও পথচারীর এক মাত্র ভরসা এই সড়ক টি।এছাড়াওএই রাস্তাটি দিয়ে নেত্রকোনা,ময়মনসিংহ, ঢাকায় চলাচল করতে হয়। এই ১৩ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে বেশিরভাগ জায়গা ভেঙে যাওয়ায় তৈরি হয়েছে মরণ ফাঁদ। প্রতিনিয়তই ঘটছে দূর্ঘটনা। সামান্য বৃষ্টি এলেই পানি জমে খানাখন্দ ও ডোবায় পরিণত হয় রাস্তাটি। কোন বিকল্প সড়ক না থাকায় এলাকার লোকজন ও পথচারিদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়ে চলাচল করতে হচ্ছে এ সড়ক দিয়েই।
এ বিষয়ে মদন ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান অলহাজ মোঃভিকছান,ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আতিকুর রহমান রিপন খবর বাংলা নিউজ ২৪ কে বলেন অনেক দিন ধরে এই এলাকার লোকজন অনেক কষ্টে আছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এই রাস্তা টি দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামতের জন্য। স্হানীয় বাসিন্দা কদির, কামাল, সবুজ, ও মরিয়ম বেগম, ফুলেছ বানু লোকজনের সাথে কথা বললে তারা বলেন, সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করার কারণে বেশিরভাগ জায়গায় এখন ভেঙে ডোবায় পরিণত হয়েছে। এ রাস্তা দিয়ে অসুস্থ রোগী কিংবা গর্ভবতী মহিলা নিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা সুস্থ-সবল শরীর নিয়ে চলাচল করা সম্ভব হয় না এখন। তাছাড়া এই রাস্তার কারণে আমাদের কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্যের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। ৭ তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ফাহিম বলেন স্কুলে যেতে অনেক কষ্ট করতে হয়। একদিন উটো উল্টে গিয়েছিল প্রায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। তাই আমরা চাই এ রাস্তটি যেন খুব শীঘ্রই সংস্কার করা হয়।
তিয়শ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবুর রহমান ও ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছামিউল হাছান শফি কালবেলা কে বলেন, রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করার কারণে এখন এটা দিয়ে চলাচল করতে সাধারণ মানুষের অনেক কষ্ট হচ্ছে। এছাড়া অল্প বৃষ্টিতেই রাস্তার গর্তে জমে থাকে পানি অনেক সময়ই পথচারীদের চলাচলে সময় কাপড়, চুপর নষ্ট হয়ে ঝগড়ার সৃষ্টি হয়। আমরা চাই রাস্তাটি যেন খুব শীঘ্রই মেরামত করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী গোলাম কিবরিয়া পিয়ালের সঙ্গে কথা বললে তিনি খবর বাংলা নিউজ ২৪ কে বলেন আরটি,আই,বি, কাছে প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে।, আগামী অর্থ বছরে বরাদ্দ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।


