
মোঃ আলমগীর হোসেন, লংগদু (রাঙ্গামাটি) :
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ -২০২৪ খ্রিঃ জেলার শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক খোন্দকার হাসান আলী এবং জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন তারই পুত্র মোঃ তাহসান বিন হাসান।
খন্দকার হাসান আলী লংগদু সরকারি মডেল কলেজের বাংলা বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক। শিক্ষা পদকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির মধ্যে শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। এদিকে তারই পুত্র রাবেতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনির ছাত্র মোঃ তাহসিন বিন হাসান জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।
এর আগে তিনি উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শ্রেনি শিক্ষক হয়েছেন । জানা যায় শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, বিষয় ভিত্তিক জ্ঞান ও নিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে দক্ষতা, প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও মুল্যাযন পারদর্শীতা, ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, সহকমী, ও সকলের সাথে সহযোগিতার প্রবণতা: চারিত্রিক দৃঢ়তা, ব্যক্তিত্ব, সততা, উদ্যম, চ্যালেঞ্জ গ্রহণের সক্ষমতা: শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তি ব্যবহার ও মূল্যায়ন রেকর্ড সংরক্ষণ দক্ষতা, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, সৃজনশীল প্রকাশনা, সৃজনশীল উদ্যোগ ও উত্তম চর্চার নিদর্শন ও শ্রেণি পাঠদানে পারদর্শীতাসহ অন্যান্য বিশেষ কৃতিত্বের উপর ভিত্তি করে বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
খোন্দকার হাসান আলী কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর এবং ঢাকা হতে ব্যাচেলর অব এডুকেশন ডিগ্রি নিয়েছেন। তিনি ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে সুনামের সাথে কর্মরত আছেন। দেশব্যাপী করোনাকালীন অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাস গ্রহণ করে তিনি শিক্ষার্থীদের অগ্রগতিতে ভালো ভূমিকা রেখেছেন। ২০২০ খ্রি. শিক্ষার্থীদের জন্য তাঁর লেখা জীবনগঠনমূলক ও গবেষণাধর্মী প্রবন্ধ গ্রন্থ চেতনা প্রকাশিত হয়। অমর একুশে বইমেলা হতে প্রকাশিত গ্রন্থ’টি বেশ পাঠকপ্রিয় হয়। তিনি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার কলাম লিখেও খ্যাতি অর্জন করেছেন।
জানা গেছে, খোন্দকার হাসান আলী এগারো ভাইবোনের মধ্যে অষ্টম । তার বড় ভাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত)। তিনি সবার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও দোয়া প্রার্থনা করেছেন যাতে এ সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে অনগ্রসর ও প্রত্যন্ত পাহাড়ী জনপদের শিক্ষার উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করতে পারেন।
খন্দকার হাসান আলী বলেন আমি আমার দায়িত্ব যথাযথ পালন করার চেষ্টা করি। আমাকে যে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে এতে কলেজ কতৃপক্ষ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিচারক মন্ডলী সকলের সার্বিক সহযোগিতায় এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।


