
জহিরুল ইসলাম সুমন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন দেবীপুর গ্রামে জায়গা সংক্রান্ত ভেজাল নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপর হামলা হয়েছে। হামলায় নারীসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দুইজন কে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করেছেন বাকি ৪ জনকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
উপজেলার বাতিসা ইউনিয়ন দেবিপুর গ্রামের আহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফা
জানান, আমার প্রতিবেশী মোঃ খোরশেদ আলম এ-র ছেলে মোঃ মেহেরাজ ( ২৪ ) সাথে আমাদের পুরনো বিরোধ রয়েছে।

আমাদের যৌথ মালিকানাধীন পুকুর থেকে জোর পূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় আমার বসত বাড়ীর সামনে বাধা নিষেধ করিলে মোহাম্মদ শিপনের নেতৃত্বে
সহ সবাই দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আমাদের কে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। মোহাম্মদ শিপনের ও তার লোকজন আমাদের পরিবারের উপর দফা দফা হামলা চালিয়ে অতর্কিতভাবে আক্রমন করে।
১৪ এপ্রিল রবিবার দুপুর ২: ৩০ মিনিট মোহাম্মদ শিপন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমাদের বাড়িতে এসে অতর্কিত হামলা চালায়।
এ সময় হামলায় আহত হয় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোস্তফা স্ত্রী মোসা: ফাতেমা বেগম (৫২), মুক্তিযোদ্ধা ছেলে মোঃ আবদুল মোতালেব (৩৩) মোঃ খোরশেদ আলম মজুমদারের ছেলে মোঃ মেহেরাজ মজুমদার (২৪) মোঃ ইউছুফ মিয়ার ছেলে মোঃ এনাম হোসেন (২৪) ও মোঃ শাহরিয়া (২৩) মোঃ মনির হোসেনের ছেলে মোঃ সোহান (২২) সহ ৬ জন আহত হন।
এ সময় আহতদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাদেরকে প্রথমে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসেন।
আহতদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফা, স্ত্রী মোসাঃ ফাতেমা বেগম এ-র
মাথায় গুরুতর আঘাত করায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় জড়িতরা হলো : মোঃ খোরশেদ আলম এ-র ছেলে মোঃ মেহেরাজ ( ২৪ ) আলী আহম্মেদ মজুদারের ছেলে মোঃ শিপন মজুমদার (৫০), মোঃ বুলবুল মজুমদারের ছেলে মোঃ ফয়সাল আহমেদ (৩২), মোহাম্মদ বাহার মিয়ার ছেলে রাতুল মজুমদার (২২), মৃত কায়েস মজুমদারের ছেলে কামরুল হাসান রবিন (২২)সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫
এ ঘটনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন ।
উক্ত ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি ডায়েরী করা হয়েছে।


