back to top

শনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুরে জাহাজে হ’ত্যাকান্ডের শিকার আমিনুর রহমান মুন্সী ও সালাউদ্দীন ফকিরের দাফন সম্পন্ন নিজ এলাকা লোহাগড়াতে

kbctgbd
২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ৩:২৮ পূর্বাহ্ণ

শরিফুজ্জামান, নড়াইল প্রতিনিধিঃ

 

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার এমভি আল-বাখেরা জাহাজে হত্যাকান্ডে শিকার সাতজনের মধ্যে নড়াইলের লোহাগড়ায় আমিনুর রহমান মুন্সী (৪৮) ও সালাউদ্দীন ফকিরের (৪০) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে আমিনুর এবং সালাউদ্দিনের মরদেহ নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। পরে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী রাতেই তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। হত্যাকান্ডের শিকার আমিনুর রহমানের বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাঙ্খারচর গ্রামে সে ঐ গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। তিনি আল বাখেরা জাহাজের সুকানি ছিলেন। অন্যদিকে সালাউদ্দিন ছিলেন ইঞ্জিনচালক।

তিনি একই উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের এগারোনলী গ্রামের আবেদ উদ্দীন ফকিরের ছেলে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে প্রায় একযুগ ধরে জাহাজে কাজ করছিলেন আমিনুর। গত শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) গ্রামের বাড়ি নড়াইল থেকে কাজে গিয়েছিলেন তিনি। এবার ছুটিতে বাড়ি ফিরে বোনের দেওয়া জমিতে নতুন ঘর তোলার কথা ছিল তার। কিন্তু ৪ দিনের ব্যবধানে তার বাড়িতে ফিরল নিথর দেহ। কোনোভাবেই এ শোক সইতে পারছেন না তার পরিবারের সদস্য ও এলাকাবাসী।

আমিনুরের স্ত্রী পপি বেগম বলেন, শুক্রবারে রাত ৮টার দিকে আমি স্বামীকে বাসে উঠায়ে দিয়ে আসছিলাম। এক সপ্তাহ পর বাডিতে আসার কথা ছিল। সে এসেছে তবে লাশ হয়ে। আমার স্বামীকে যারা মারছে, আমি তাদের বিচার চাই। স্বামী ছাড়া আমার আপন কেউ নেই।

অপরদিকে সালাউদ্দিন ২০ বছর ধরে জাহাজে চাকরি করছেন। অভাবের সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। মা ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ছয় সদস্যের সংসার ছিল তার। হত্যাকান্ডে এ ঘটনায় দিশেহারা তার পরিবার।

সালাউদ্দিনের ছেলে নাইম ফকির বলেন, আব্বুর আয় দিয়েই আমাদের পরিবার চলতো। এভাবে যদি মেরিন ডিপার্টমেন্ট চলতে থাকে, আজকে আমাদের ক্ষতি হইছে কালকে আরেকজনের হবে। আজকে যেমন আমরা রাস্তায় নামছি কালকে আরেক পরিবার রাস্তায় নামবে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।

পাংখার চর গ্রামে আমিনুলের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। ২ বছরের হাসাইন মুন্সি আর সাড়ে ৪ বছরের হুসাইন মুন্সি ছোট্ট দুটি শিশু নিয়ে অঝোরে কাদছেন আমিনুলের মা জামেলা বেগম। স্ত্রী পপি আক্তার একেবারে বিমূর্ষ অবস্থায় কাদছেন আবার মুর্ছা যাচ্ছেন। ২৩ বছর ধরে জাহাজে কাজ করছেন আমিনুল ,আল-বাখেরা জাহাজে ৭ বছর। আমিনুলের মা জামেলা বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন,এই দুটি শিশুকে আমি কি বুঝ দেব,আল্লাহ আমাদের এ কোন পরিস্থিতির মধ্যে ফেললেন।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবরবাংলা২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন info@khaborbangla24.com ঠিকানায়।

নারী ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর

মা হওয়ার কারণে যেন থেমে না যায় ক্রিকেট ক্যারিয়ার...

বাংলাদেশকে আর তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যতে কেউ যেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার হরণ...

পরীমনির পর এবার মুখ খুললেন প্রভা

পরীমনির ‘ব্যাড টাচ’ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী সাদিয়া...

চট্টগ্রামে মধ্যরাতে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ২০

চট্টগ্রাম নগরে গভীর রাতে নির্জন এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাফেরা! পৃথক...

চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের হাতে থাকা উচিত ছিল

বাংলাদেশের ভূখণ্ড নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির এক সংসদ সদস্যের...

নারী ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর

মা হওয়ার কারণে যেন থেমে না যায় ক্রিকেট ক্যারিয়ার...

বাংলাদেশকে আর তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যতে কেউ যেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার হরণ...

পরীমনির পর এবার মুখ খুললেন প্রভা

পরীমনির ‘ব্যাড টাচ’ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী সাদিয়া...

চট্টগ্রামে মধ্যরাতে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ২০

চট্টগ্রাম নগরে গভীর রাতে নির্জন এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাফেরা! পৃথক...

চট্টগ্রাম বন্দর ভারতের হাতে থাকা উচিত ছিল

বাংলাদেশের ভূখণ্ড নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির এক সংসদ সদস্যের...

সর্বশেষ

নারী ক্রিকেটারদের জন্য সুখবর

মা হওয়ার কারণে যেন থেমে না যায় ক্রিকেট ক্যারিয়ার...

বাংলাদেশকে আর তাঁবেদার রাষ্ট্র হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যতে কেউ যেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার হরণ...

পরীমনির পর এবার মুখ খুললেন প্রভা

পরীমনির ‘ব্যাড টাচ’ বিতর্কে এবার মুখ খুললেন অভিনেত্রী সাদিয়া...

চট্টগ্রামে মধ্যরাতে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ২০

চট্টগ্রাম নগরে গভীর রাতে নির্জন এলাকায় সন্দেহজনক ঘোরাফেরা! পৃথক...