back to top

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পলাতকদের কথা:দুর্নীতির ছায়ায় কবলে দেশের উন্নয়ন শাসকের ব্যর্থতা-মো. কামাল উদ্দিন

kbctgbd
২৯ আগস্ট ২০২৪ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ

শাসকের ব্যর্থতায় ভেঙে যায় জনতার ভরসা, সুবিধাবাদীরা মঞ্চ সাজায় লুটের মহোৎসবের ভাষা।আলো ছুঁয়ে মেঘেরা খেলে লুকোচুরি খেলা, আর ছায়ায় ঘুমিয়ে থাকে ন্যায়ের বঞ্চিত মেলা।বঙ্গবন্ধু, আপনাকে ক্ষমা চাই, ক্ষমা চাই শেখ হাসিনার কাছেও। কারণ, বারবার লিখতে গিয়ে উঠে আসে শাসনের ব্যর্থতার কথা। আমি যে আপনার আদর্শে বিশ্বাসী, সেই কারণেই আজ বাধ্য হয়ে কলম ধরতে হলো। মুজিব কোটের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সেই চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, টেন্ডারবাজেরা দেশটাকে মগের মুলুকে পরিণত করেছে। তারা দেশপ্রেমের মুখোশ পরে বারবার ধোঁকা দিয়ে গেছে সাধারণ মানুষকে।

আর আজ, শেখ হাসিনার পতনের পর, সেই সুবিধাবাদীরাই অদৃশ্য হয়েছে।এই কলম তাই আজ আবারও জেগে উঠল, দেশের এই দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরতে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে যারা এদেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে, তাদের মুখোশ উন্মোচন করাই হবে আমার পরবর্তী লেখা। যাঁরা মুজিবের আদর্শকে বিকৃত করেছে তাদের ব্যাপারে কথা বলতেই হবে।দেশের প্রভাবশালী মহল এবং দলবাজির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদগুলো জব্দ করার এখনই প্রয়োজন। একসময় শেখ হাসিনা নিজেই গণমাধ্যমে স্বীকার করেছিলেন যে, তার বাসার একজন সাধারণ কর্মচারীও নাকি চারশো কোটি টাকার মালিক! এটি একেবারে অবাক করা বিষয়।

একজন দেশের প্রধানমন্ত্রী এমন মন্তব্য কীভাবে করতে পারেন? বিশেষ করে যখন তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, যিনি সব ধরনের দুর্নীতি, ঘুষ, এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু বারবার বলেছেন, দুর্নীতিবাজরা দেশের উন্নয়নের পথে বাধা। অথচ, তারই দলের ছত্রছায়ায় গত ১৬ বছরে অনেকেই হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছেন। আমি সারাদেশের কথা বলবো না, আপাতত শুধু চট্টগ্রামের দিকেই নজর দেব। চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সরকার দলের প্রভাব বিস্তার করে কীভাবে শত শত কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে, সেই তথ্যসহ বিশদভাবে লিখব।

যেমন, রেলওয়ে—এই প্রতিষ্ঠানে সিন্ডিকেট করে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করা হতো, আর কেউ সেই সিন্ডিকেটের বাইরে কোনো সুবিধা নিতে পারত না। এভাবে শত শত কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। সেই টাকা রেলওয়ের মহাপরিচালক থেকে শুরু করে ছোট-বড় সবার পকেটে গেছে। শুধু রেলওয়ে নয়, গণপূর্ত অধিদফতর, এলজিইডি, সড়ক ভবন, গ্যাস অফিস, বিদ্যুৎ বিভাগ, ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ অফিস, এবং সিডিএ—প্রত্যেকটি সরকারি প্রতিষ্ঠানেই লুটপাট হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর এবং সিটি কর্পোরেশনে। চট্টগ্রাম বন্দরে যেমন ‘সাইয়েব পাওয়া টেক’-এর মালিক রুহুল আমিন তরফদার হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছেন, তেমনি সিটি কর্পোরেশনেও একই ধরনের অনিয়ম হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী স্বল্প সময়ের মধ্যে দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তবে তিনি একা নন; আরশাদুল আলম বাচ্চুসহ আরও অনেকেই আছেন এই দলে। যদি চট্টগ্রামে সুবিধাবাদীদের নাম সিরিয়াল অনুযায়ী তালিকাভুক্ত করা হয়, তাহলে চট্টগ্রামবাসী বুঝতে পারবে কে কিভাবে দলের নাম ব্যবহার করে অবৈধভাবে আয় করেছে।

শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা আজ দুঃসময়ে দল থেকে দূরে সরে গেছে। তাদের কারণে শেখ হাসিনার সরকার আজ দায়ী। তিনি তার দলের সিন্ডিকেট ভাঙতে ব্যর্থ হয়েছেন। যেখানে নিজের গণভবনের কর্মচারীকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি, সেখানে সারাদেশের লুটপাট কীভাবে বন্ধ করবেন? আজ সময় এসেছে সেই সব সুবিধাভোগীদের অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ গুলো জব্দ করে দেশের গরীব-দুঃখী মানুষের কল্যাণে বিলিয়ে দেওয়ার। শুধু তা-ই নয়, তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপকর্ম থেকে বিরত রাখার পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

কারণ, যারা দেশের উন্নয়নের পথে বাধা সৃষ্টি করে নিজেদের আখের গোছায়, তাদের কঠোর শাস্তি না হলে এই দুর্নীতির চক্র কখনোই ভাঙবে না।  শেখ হাসিনার উচিত হবে দলীয়ভাবে এক শক্ত অবস্থান নেওয়া। তার দলের মধ্যে যে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, তাদেরকে সরাসরি চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। দলীয় নেতা-কর্মীদের প্রতি কড়া নির্দেশনা দিতে হবে, যেন তারা জনগণের সেবায় নিবেদিত থাকে এবং কোনো ধরনের অপকর্ম বা দুর্নীতিতে জড়িত না হয়।

দলীয় পর্যায়ে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা না গেলে শেখ হাসিনার নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হতে থাকবে। শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দেওয়া যেতে পারে, তিনি যেন অতীতের সব ভুল-ত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে দল এবং দেশের স্বার্থে একটি সঠিক ও শক্তিশালী পথনির্দেশনা তৈরি করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে দলকে ফিরিয়ে আনার জন্য তাঁকে দৃঢ় নেতৃত্ব দিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে উৎসাহিত করতে হবে যেন তারা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্নে কাজ করতে আগ্রহী হয়। শেখ হাসিনা যদি তার দলের দুর্নীতিগ্রস্ত অংশকে শাস্তি দিয়ে এবং তার ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনায় স্বচ্ছতা নিয়ে আসেন, তবেই দেশ এবং জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবেন।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির সিন্ডিকেট গড়ে তোলার পিছনে শুধু রাজনীতি বিদরাই নয়, কিছু সংবাদকর্মীও আছেন, যারা এই অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের কিছু প্রভাবশালী সাংবাদিক নিজেদের অবস্থান ব্যবহার করে দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করেছে এবং তাদের সুবিধা আদায় করেছে। বিশেষ করে, ‘চৌধুরী’ নামে পরিচিত একজন বড় দালাল সাংবাদিক রাতারাতি শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। এই ধরনের অপসাংবাদিকতা সাধারণ মানুষের কণ্ঠরোধ করেছে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকে দুর্বল করে তুলেছে। যদিও সকল সাংবাদিক নয়, কিছু সংখ্যক পেশাদার এবং সৎ সাংবাদিক রয়েছেন যারা সবসময়ই সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, তবুও এই প্রভাবশালী দালালদের কারণে তাঁদের ভূমিকা ম্লান হয়েছে।

ক্যাডার বাহিনী ও কিশোর গ্যাংয়ের উত্থান,দলের নাম ব্যবহার করে এবং জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগানের আড়ালে, এই নেতারা বস্তির বস্তিবাসী এবং টোকাইদের ভাড়া করে বড় বড় মিছিলে শোডাউন করাতেন। এতে যেমন জনগণের ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হতো, তেমনি দলের নেতারাও সন্তুষ্ট হতেন যে, তাঁদের প্রতি জনগণের সমর্থন রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে, এই শ্লোগানগুলো ছিলো ভাড়াটে কর্মী ও সুবিধাবাদীদের মুখে মুখে। এর পরিণতিতে, দলের আশ্রয়ে থেকে এই নেতারা নিজেদের ক্যাডার বাহিনী গড়ে তোলেন, যারা বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত।

এমনকি কিশোর গ্যাং গড়ে তুলে তাদের দিয়ে এলাকায় ভয়ভীতি সৃষ্টি করা হতো এবং নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করা হতো।এই ক্যাডার বাহিনী ও কিশোর গ্যাংগুলোর উত্থান শুধু সামাজিক শৃঙ্খলাকে ধ্বংস করেছে তা নয়, এর ফলে চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষও আজ অসহায়। বিশেষ করে, যাঁরা সাধারণ মানুষের স্বার্থের পক্ষে কথা বলেন, তাঁদের ওপর নেমে এসেছে নির্যাতন ও হুমকি। তাই, সময় এসেছে এই অবৈধ সুযোগ ভোগকারী এবং দখলদার নেতাদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ার। এই দেশটি বঙ্গবন্ধুর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি যারা বিশ্বাসী, তারা কখনোই দেশের উন্নয়ন পরিপন্থী কাজ করতে পারে না।

আজ সময় এসেছে দুর্নীতি বাজদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার। তাদের অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদ গুলো জব্দ করে দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা উচিত। এভাবেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সত্যিকার অর্থে জীবিত থাকবে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুর সত্যিকার আদর্শের মানুষেরা কখনো দেশের উন্নয়ন পরিপন্থী কাজ করতে পারেনা।তারা শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই, এখনো বঙ্গবন্ধু বেঁচে আছে তাদের কারণে আগামীতে বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের পাতায় বেঁচে থাকবে কিছু নিবেদিত কর্মিদের করণে- শেখ হাসিনার কারণে বঙ্গবন্ধু আজ দেশ এবং জাতির কাছে প্রশ্ববিদ্ধ হয়েছে।

শেখ হাসিনার একাধিক ভুল সিদ্ধান্ত এবং দুর্নীতি জনিত কর্মকাণ্ডের কারণে এমনিতেই শেখ হাসিনার উপর দেশের মানুষ অসন্তুষ্ট ছিলো, সেই খানে কোটা বাতিলের দাবীতেরছাত্র জনতার আন্দোলন দমনে পুলিশ ও দলীয় ক্যাডারদের ব্যবহার করা হয়। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভণ্ডুল করার জন্য বল প্রয়োগের মাধ্যমে পরিস্থিতি সংঘাতপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এই সংঘাতে শত-শত ছাত্র প্রাণ হারায় এবং পুলিশের গুলিতে আহত হয় অনেকেই। পুলিশও নিজেদের কর্মে জনতার রোষানলে পড়ে প্রাণ হারায়। সব মিলিয়ে, এ সংকট থেকে সুবিধাবাদীরাই নিজেদের সুবিধা আদায় করে নিয়েছে এবং পরিস্থিতি বুঝে সরে পড়েছে। এই প্রতিষ্ঠান গুলো যাঁরা নিয়ন্ত্রণ করতো তাদের বিস্তারিত তথ্য দিয়ে লেখার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

লেখকঃ সাংবাদিক গবেষক টেলিভিশন উপস্থাপক

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবরবাংলা২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন info@khaborbangla24.com ঠিকানায়।

দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেন শেখ হাসিনা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ...

গ্যাস সংকটে গাজীপুরে বন্ধ ৭০০-এর বেশি কারখানা

সারাদেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান তীব্র...

সাকিব আল হাসানের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের...

গর্তে হাত দিতেই সাপের ছোবল, প্রাণ গেল নারী ও শিশুর

ফরিদপুরের সালথায় পৃথক ঘটনায় বিষধর সাপের ছোবলে এক নারী...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, মাটিচাপায় প্রাণ হারাল শিশু

টানা ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের...

দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেন শেখ হাসিনা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ...

গ্যাস সংকটে গাজীপুরে বন্ধ ৭০০-এর বেশি কারখানা

সারাদেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান তীব্র...

সাকিব আল হাসানের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের...

গর্তে হাত দিতেই সাপের ছোবল, প্রাণ গেল নারী ও শিশুর

ফরিদপুরের সালথায় পৃথক ঘটনায় বিষধর সাপের ছোবলে এক নারী...

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, মাটিচাপায় প্রাণ হারাল শিশু

টানা ভারী বৃষ্টিতে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড়ধসের...

সর্বশেষ

দেশে ফেরার ঘোষণা দিলেন শেখ হাসিনা

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থানরত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ...

গ্যাস সংকটে গাজীপুরে বন্ধ ৭০০-এর বেশি কারখানা

সারাদেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান তীব্র...

সাকিব আল হাসানের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও মাগুরা-১ আসনের...

গর্তে হাত দিতেই সাপের ছোবল, প্রাণ গেল নারী ও শিশুর

ফরিদপুরের সালথায় পৃথক ঘটনায় বিষধর সাপের ছোবলে এক নারী...