প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে নতুন করে চারজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
নতুন চার সদস্য হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের নাম আলোচনায় রয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সাচিং প্রু জেরী ও শামীম কায়সার লিংকনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি উঠে আসে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনা রয়েছে বলে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল।
মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পাশাপাশি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে রদবদলের সম্ভাবনাও রয়েছে। এর মধ্যে বিমান ও পর্যটন, কৃষি, খাদ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্থানীয় সরকার এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
এরই মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথকে ঘিরে বঙ্গভবনে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৩৪৩টি বৈধ ভোটের মধ্যে ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন তিনি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। তাদের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন। ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো প্রায় ৩৫ বছর পর। এর আগে ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী নিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের ভোটগ্রহণ হয়েছিল।
নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ এবং মন্ত্রিসভায় নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোয়ও নতুন পরিবর্তনের সূচনা হতে যাচ্ছে। মন্ত্রিসভায় আরও রদবদল হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
আরু|



