শেখ হাসিনাকে ‘অধিনায়ক’ সম্বোধন করে তার সঙ্গে দেশে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক জানিয়েছেন, সরকারের কাছ থেকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা পেলে তিনি দেশে ফিরে আদালতের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত, কারণ তিনি মনে করেন কোনো অন্যায় তিনি করেননি।
সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) খেলার সময় ফোনে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, তিনি যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরতে চান, তবে তা সম্ভব না হলে শেখ হাসিনার সঙ্গেই একসঙ্গে ফেরার চেষ্টা করবেন বলে তিনিও দ্রুত দেশে ফিরতে চান, তবে তা সম্ভব না হলে শেখ হাসিনার সঙ্গে একসঙ্গে দেশে ফেরার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন।
গত ৫ আগস্ট, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তির দিনে, নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব অব সাউথ এশিয়া আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হন ক্ষমতাচ্যুত ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই প্যানেলে শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, সাবেক কূটনীতিক আমিনুল হক পলাশসহ আরও কয়েকজন যুক্ত ছিলেন। সাকিবও এই আয়োজনে ভার্চুয়ালি অংশ নেন এবং সেখানেই শেখ হাসিনাকে ‘ক্যাপ্টেন’ সম্বোধন করে বলেন, নেত্রীর সিদ্ধান্তই তারা অনুসরণ করবেন।
সাকিব জানিয়েছেন, তার নামে বর্তমানে দুটি মামলা সচল রয়েছে একটি গণঅভ্যুত্থানের সময় এক বিক্ষোভকারীকে হত্যার অভিযোগে, অন্যটি দুর্নীতি দমন কমিশনের আনা দুর্নীতির অভিযোগে। হত্যা মামলাটিকে ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, মামলার তারিখে তিনি টরন্টোতে একটি ম্যাচ খেলছিলেন। এছাড়া গত দেড় বছর ধরে তদন্তের নামে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি, যদিও তিনি দাবি করেছেন গত এক দশক ধরে তিনি দেশের শীর্ষ করদাতাদের একজন।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব, এবং শেখ হাসিনাকে তিনি নিজের অনুপ্রেরণা হিসেবেও আগে উল্লেখ করেছেন।
আরু||খব



