শরিফুল ইসলাম (ফেনী)
ফেনী-৩ নির্বাচনি এলাকা সোনাগাজী ও দাগনভূঞা দুটি উপজেলা মিলে ফেনি ৩ সংসদীয় আসনে, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন।ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক (সাবেক)। তাঁর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আহাম্মদ আমৃত্যু আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
খবর বাংলা ২৪ এর নির্বাচনী মাঠ জরিপের সময় স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায় জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটনের এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। সাধারণ মানুষের ভাষ্যমতে আমাদের যে কোন প্রয়োজনে যেকোনো সময় তার কাছে ছুটে গেলে আমরা বিভিন্ন সাহায্য ও সমস্যার সমাধান পাই। তিনি কখনোই কাউকে ফিরিয়ে দেন না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বেশ কয়েকজন খবর বাংলা ২৪ কে বলেন আমার এই সন্তান প্রতিবন্ধী একটা হুইলচেয়ার এর জন্য গরের বাইরে যেতে পারেনি প্রায় ৫ বছর, তিনি আমার সন্তান কে একটা হুইলচেয়ার দিয়েছেন আমার বড় সন্তানের সমস্ত পড়ালেখার ভরণপোষণ তিনি বহন করছেন, আরেকজন বলেন আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন ছিল। তখন তিনি আমাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। এভাবে অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের বিভিন্ন বিপদের সময়ে তিনি তাদের পাশে থাকেন। যার জন্য এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। এবং তিনি প্রতিনিয়ত এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সোনাগাজী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মির এমরান (সাবেক) এই ছাত্র নেতা বলেন তরুন -ছাত্র সমাজের কাছে বেশ জনপ্রিয় জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন।আমাদের এই অঞ্চলের একসময় দীর্ঘদিন নেতৃত্বশুন্যতায় ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আ’লীগের সভানেত্রী চাইলেই লিপটন ভাই এর হাত ধরেই এ এলাকার মানুষ নতুন ভাবে স্বপ্ন দেখবে।
উপজেলার মঙ্গকান্দি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন বাদল বলেন, দলমত নির্বিশেষে সবার মাঝে স্থান করে নিয়েছেন জেলা আ’লীগ নেতা ও উপজেলা চেয়ারম্যান লিপটন। সন্ত্রাস কবলিত এ আসনটিতে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নয়নে লিপটনের বিকল্প নেই।
জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক (সাবেক) । তাঁর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজা আহাম্মদ আমৃত্যু আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান, ছাত্র রাজনীতিতে সাহসী ভুমিকা, ওয়ান-ইলেভেনের পর শেখ হাসিনার পক্ষে রাজপথে জোরালো ভুমিকার কারণে লিপটন দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক ফোরামের আস্থায় রয়েছেন। এমনকি নিজ নির্বাচনী এলাকায়ও জনগণের পছন্দের শীর্ষে রয়েছেন তিনি।
উপজেলা চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন খবর বাংলা ২৪ কে বলেন ছাত্র জীবন থেকেই আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলাম। দ্বায়িত্ব ও সামলিয়েছি ওয়ান-ইলেভেনের পর নেত্রীর পক্ষে রাস্তায় নেমেছি, আমার বাবা ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমেই আমার রাজনীতিতে আবির্ভাব। বিগত বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে বহু হামলা মামলা অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে রাজনীতি করেছি। কোন অত্যাচার নির্যাতনই আমাকে আওয়ামী লীগ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি। তাই নেত্রী আমাকে সোনাগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান এর দ্বায়িত্ব দিয়েছেন, এখন নেত্রী আমাকে চাইলে আমি সংসদ নির্বাচন করবো আর আমার কর্মীরা চাইলে আমি নির্বাচিত হবো।


