বাংলা কিউআর কোডের মাধ্যমে লেনদেন বাড়াতে নতুন করে প্রণোদনার আওতা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিটি বাংলা কিউআরভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট দুটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বোচ্চ ৬ টাকা প্রণোদনা দেওয়া হবে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, লেনদেন গ্রহণকারী বা অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.১০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ২ টাকা। আর গ্রাহকের হিসাব বা কার্ড প্রদানকারী ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ০.২০ শতাংশ হারে সর্বোচ্চ ৪ টাকা। অর্থাৎ ২ হাজার টাকার একটি যোগ্য লেনদেনে মোট প্রণোদনা হবে ৬ টাকা। তবে এই অর্থ সরাসরি গ্রাহক বা বিক্রেতাকে দেওয়া হবে না।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-২ এ বিষয়ে নতুন সার্কুলার জারি করেছে। এতে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট স্কিমগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
হিসাব অনুযায়ী, ১ হাজার টাকার লেনদেনে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠান পাবে ১ টাকা এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠান পাবে ২ টাকা। আর ২ হাজার টাকার লেনদেনে এই অঙ্ক দাঁড়াবে যথাক্রমে ২ ও ৪ টাকা।
এই সুবিধার আওতায় থাকছে ব্যক্তিগত রিটেইল হিসাবের মাধ্যমে যুক্ত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক বিক্রেতা এবং সেবা প্রদানকারী মার্চেন্ট পয়েন্ট। পাশাপাশি ট্রেড লাইসেন্সধারী অন্যান্য মার্চেন্ট পয়েন্টে সম্পন্ন হওয়া বাংলা কিউআরভিত্তিক এনপিএসবি লেনদেনও প্রণোদনার আওতায় আনা হয়েছে।
এর আগে গত ১০ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআরভিত্তিক লেনদেনে প্রণোদনার ব্যবস্থা চালু করেছিল। সেই নির্দেশনায় ২ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে ০.১০ শতাংশ এবং ইস্যুয়িং প্রতিষ্ঠানকে ০.২০ শতাংশ হারে প্রণোদনার কথা বলা হয়েছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে এর আওতা আরও বাড়ানো হলো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মার্চেন্ট পয়েন্টে ডিজিটাল লেনদেনকে আরও উৎসাহিত করা এবং বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়ানো। নতুন ব্যবস্থা আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
আরু|



