মাদকবিরোধী অভিযানে হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অংশ নেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার মুখে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, কাউকে ভয় দেখানো বা গুলি করার জন্য নয়, বরং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই তিনি অভিযানে অংশ নিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বিভিন্ন মন্তব্যের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
পোস্টে ইশরাক হোসেন জানান, তাঁর হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্রটি বৈধ। তাঁর সংসদীয় আসনের গেন্ডারিয়ার রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর এলাকায় মাদক কারবারের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ বিষয়ে বারবার তাঁর কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রীর দাবি, বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে ৩০ থেকে ৪০ বার বৈঠক করেছেন তিনি। তবে প্রতিবারই পুলিশ জনবল ও যানবাহনের সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়েছে বলে দাবি করেন ইশরাক।
তিনি আরও বলেন, এর আগে ওই এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে কয়েকজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ এখনো পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, মাদক কারবারিরা দূর থেকে গুলি চালায়, সে কারণেই অভিযানের সময় তাঁর হাতে অস্ত্র ছিল।
নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি কাউকে ভয় দেখাননি এবং গুলিও করেননি। তাঁর দাবি, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাই ছিল অভিযানের উদ্দেশ্য।
তবে মাদকবিরোধী অভিযানে জনপ্রতিনিধির আগ্নেয়াস্ত্র হাতে অংশ নেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওঠা সমালোচনা ও এর আইনগত দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্টহবে।
আরু|



