পবিত্র মক্কার মসজিদে হারাম ও মদিনার মসজিদে নববিতে প্রবেশের সময় মুসল্লি ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট সামগ্রী না নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা এবং মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে এসব বিধিনিষেধ মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দুই পবিত্র মসজিদে নিষিদ্ধ ছয় ধরনের সামগ্রী হলো-
১. খাবার ও পানীয়
মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববির ভেতরে খাবার ও পানীয় নিয়ে প্রবেশে বিধিনিষেধ রয়েছে। ইবাদতের পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা ও মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।
২. দাহ্য পদার্থ
আগুন ধরে যেতে পারে বা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এমন যেকোনো দাহ্য সামগ্রী দুই পবিত্র মসজিদে নেওয়া নিষিদ্ধ।
৩. ধারালো সরঞ্জাম
ছুরি, ব্লেডসহ যেকোনো ধরনের ধারালো সরঞ্জাম মসজিদে নিয়ে যাওয়া যাবে না। মুসল্লিদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রবেশপথেই এসব সামগ্রী নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
৪. রাজনৈতিক পতাকা ও স্লোগানসংবলিত সামগ্রী
মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে রাজনৈতিক পতাকা, ব্যানার কিংবা রাজনৈতিক স্লোগানসংবলিত কোনো সামগ্রী নেওয়া নিষিদ্ধ।
৫. ভঙ্গুর সামগ্রী
কাচ বা এ ধরনের সহজে ভেঙে যেতে পারে এমন সামগ্রীও সঙ্গে নেওয়া যাবে না। এগুলো ভেঙে গেলে মুসল্লিদের আহত হওয়ার পাশাপাশি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হতে পারে।
৬. ধূপ ও কয়লা
ধূপ ও কয়লাও নিষিদ্ধ সামগ্রীর তালিকায় রয়েছে। আগুন ও ধোঁয়ার ঝুঁকির কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে এসব সামগ্রী মসজিদে নেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মুসল্লি ও দর্শনার্থীর সমাগম হয়। তাই সেখানে যাওয়ার আগে ব্যাগ ও ব্যক্তিগত সামগ্রী যাচাই করে নিষিদ্ধ কোনো জিনিস সঙ্গে না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে প্রথমবার মক্কা-মদিনায় যাওয়া মুসল্লিদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন অনুযায়ী প্রবেশসংক্রান্ত নিয়মে পরিবর্তন আসতে পারে।
এর আগে মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববি প্রাঙ্গণে অনুদান সংগ্রহ, মোটরসাইকেল ও সাইকেল নিয়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি এসব এলাকায় ধূমপান, ভিক্ষাবৃত্তি ও পণ্য বিক্রির ওপরও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আরু|



