প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার চট্টগ্রামে আসছেন তারেক রহমান। আর এই সফর ঘিরে চট্টগ্রামের বিএনপিতে এখন চলছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
রোববার একদিনের সফরে প্রথমে কক্সবাজারের মহেশখালী যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।
এরপর হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে যাবেন তিনি। বাহারছড়া এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ১০০ পরিবারের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর তাঁর গন্তব্য ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদ্রাসা। সেখানে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান। পাশাপাশি হেফাজতের প্রায় ৫০ নেতার সঙ্গে মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।
ফটিকছড়ি থেকে হাটহাজারী। সেখানে প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী।
পরে হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে ৩০ পরিবারকে ঘর নির্মাণে এক লাখ টাকা করে এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।
তবে সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি হতে যাচ্ছে সন্ধ্যায়।
চট্টগ্রাম নগরের একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান। সেখানে নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি এবং ১১টি অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের প্রায় ৫৫০ থেকে ৬০০ নেতা উপস্থিত থাকবেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।
আর এই কর্মসূচিকে ঘিরেই বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে সবচেয়ে বেশি উচ্ছ্বাস।
ইতোমধ্যে উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে প্রস্তুতি সভা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা ও কথা বলার সুযোগ পেতে নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
দলীয় নেতারা মনে করছেন, এই সভায় চট্টগ্রামের সাংগঠনিক পরিস্থিতি, স্থানীয় সমস্যা এবং দলের ভবিষ্যৎ কর্মকৌশল নিয়ে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে কথা বলার সুযোগ পাবেন তাঁরা।
সব মিলিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন, বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসন, হেফাজতের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং দলীয় সাংগঠনিক সভা একদিনে ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে তারেক রহমানের প্রথম চট্টগ্রাম সফর ঘিরে এখন সরগরম পুরো বিএনপি।
আরু|খব



