দেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবের মধ্যে হামের উপসর্গে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৮০৩-এ পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের নিশ্চিত সংক্রমণে কোনো মৃত্যু হয়নি। তবে হামের উপসর্গ নিয়ে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৮০৩ জনের মৃত্যুর মধ্যে ৯৫ জনের মৃত্যু পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হামের কারণে এবং ৭০৮ জনের মৃত্যু হামের উপসর্গ নিয়ে হয়েছে।
একই সময়ে দেশে ১৩৩টি নতুন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯০৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ১৪ হাজার ৮৪১ জনের হাম নিশ্চিত হয়েছে এবং ১ লাখ ২০ হাজার ৩৫২ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে।
ডিজিএইচএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৩৪ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ৮৮৩ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে মোট ১ লাখ ৩ হাজার ৭৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯৯ হাজার ২৯৪ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। সময়মতো এমআর (মিজলস-রুবেলা) টিকার দুই ডোজ গ্রহণই এ রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যমতে, হামের কারণে নিউমোনিয়া, মস্তিষ্কে প্রদাহসহ গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে, বিশেষ করে টিকা না পাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
আরু/


