বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে জয় তুলে নেয় লা রোজা। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন।
বিশ্বকাপজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে সেমিফাইনালে ওঠা ফ্রান্স এদিন স্পেনের সংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি। গোলরক্ষক উনাই সিমন একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ফরাসিদের হতাশ করেন। অন্যদিকে ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া ও তার সতীর্থরা কিলিয়ান এমবাপেকে কার্যকরভাবে আটকে রাখেন।
ম্যাচের ২৩তম মিনিটে লামিন ইয়ামালকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। সেই সুযোগ থেকে মিকেল ওইয়ারসাবাল গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। গোল হজমের পর আরও বিপাকে পড়ে ফ্রান্স, কারণ ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে হয় সেন্টারব্যাক উইলিয়াম সালিবাকে।

প্রথমার্ধে কয়েকটি ভালো সুযোগ পেলেও এমবাপে, বারকোলা ও অন্যরা স্পেনের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক সিমনের দৃঢ়তায় গোলের দেখা পাননি। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় স্পেন।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্পেন। দানি ওলমো ও পেদ্রো পোরোর চমৎকার সমন্বিত আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোলটি আসে। তিন মিনিট পর লামিন ইয়ামাল বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়।
শেষদিকে ফ্রান্স আক্রমণের তীব্রতা বাড়ালেও উনাই সিমনের দুর্দান্ত গোলকিপিং এবং কুকুরেয়ার দৃঢ় রক্ষণে আর কোনো গোল করতে পারেনি। এমবাপের একাধিক শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় কিংবা স্প্যানিশ ডিফেন্ডারদের বাধায় আটকে যায়।
এই জয়ে ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল স্পেন। আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক–নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড অথবা আর্জেন্টিনার। অন্যদিকে ফ্রান্স ১৮ জুলাই তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে দ্বিতীয় সেমিফাইনালের পরাজিত দলের বিপক্ষে খেলবে।
আরু/


