মোবাশ্বের নেছারী (কুড়িগ্রাম)
বাংলাপোর্টাল মোবাশ্বের নেছারী কুড়িগ্রাম, উজানের ঢলও ঘনবৃষ্টির ফলে কুড়িগ্রামের তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বাড়ছে অন্যান্য নদ-নদীর পানিও। পানি বৃদ্ধির কারনে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তিস্তাপারের মানুষ। বাড়তে শুরু করেছে অন্যান্য নদীর পানি।
কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছারা, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি চিলমারী ব্রহ্মপুত্র পয়েন্টে বিপৎসীমার ২১৩ সেন্টিমিটার, ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম সদর পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
রাজারহাট উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াশাম, বড়দরগা,বুড়ীরহাট এলাকায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের রামহরী,মৌলভী পাড়া,গাবুরহেলান, এলাকায় সবজি ও ধান খেত তৃতীয়বারের মত ডুবে যেতে শুরু করেছে। উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের তিস্তা নদীর অববাহিকার ঠুটাপাইকর, চাপড়ার পাড় গোড়াইপিয়া থেতরাই ইউনিয়নের পাকারমাথা সহ আসেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমিতে পানি ঢুকেছে। চাপড়ার পার এলাকার কৃষক সাজু মিয়া খবরেরকাগজ কে জানান, আমার ডেরবিঘা জমির আমন ফসল দ্বিতীয় বারের মত পানিতে ডুবে যাচ্ছে। চেয়ে চেয়ে দেখাছাড়া করবার কিছুই নেই। একই এলাকার কৃষক লিটন বলেন, কাল থেকে তিস্তার পানি আমার জমিতে ডুকছে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. খোরশেদ আলম বলেন, এরকম বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে শীতকালীন মরিচ ও চালকুমড়াসহ বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষতি হতে পারে। এছাড়া রোপা আমনেরও ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলায় রাসেদুল হাসান শ্রেষ্ঠ ইউএনও ও মোস্তফা জামান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত
কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার আজ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে আগামীকালের মধ্যে বৃষ্টিপাত কমতে পারে।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, উজানের ঢল ঘনবৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীকালের মধ্যে পানি কমতে শুরু করবে। তবে এই মুহূর্তে বন্যার আশংকা নেই।


