back to top

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে জোংগৈর

kbctgbd
২ অক্টোবর ২০২৪ ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
মো.আজিজুলহক আজিজ,কুতুবদিয়া প্রতিনিধিঃ

 

হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ হস্ত শিল্পের একটি নমুনা জোংগৈর।সময় পাল্টানোর সঙ্গে সঙ্গে এসেছে নানা পরিবর্তন,পাল্টে গেছে মানুষের জীবন যাত্রা,এই পরির্বতনের ধারায় পিচনে পড়ে গেছে এক সমময়ের তুমুল জনপ্রিয় জোংগৈর।

গরমে হাসফাস অথবা বৃষ্টিতে থই থই শহরের মানুষের একমাত্র ভরসা ছাতা। আর গ্রামের গরিব কৃষকদের একমাত্র ভরসা হলো জোংগৈর। গ্রাম বাংলার গরম আর বর্ষায় ফসলের মাঠের ভরসার সাথি ছিলো ছাতা। যার আঞ্চলিক নাম জোংগৈর। গ্রাম বাংলায় জোংগৈর চিনবে না এমন লোক পাওয়া মুশকিল। ছাতার বিপরীতে ব্যবহার করা হতো এই জোংগৈর। জোংগৈর তৈরি করা হয় মূলত বাশঁ, পলিথিন বা তাল পাতা দিয়ে। গ্রাম বাংলায় এই জোংগৈর ছিলো বেশ প্রচলিত। কমপক্ষে ঘরে ২-৪ টা জোংগৈর থাকতো। কালের বিবর্তনে এখন জোংগৈরের কথা বল্লে হয়তো অনেকে চিনবে না। তারা বলবে এটা কি জিনিস?

জানা যায়, বাশঁ পলিথিন ও তালপাতা দিয়ে তৈরি ডোঙা আকৃতির একটি গ্রামীণ উৎপাদন। গরীব মানুষের বৃষ্টি থেকে মাথা বাঁচানোর সস্তা উপায়। গ্রামীণ এলাকার লোকেরা বর্ষাকালে ছাতার বিকল্প হিসেবে এই “জোংগৈর” ব্যবহার করতো। তাল পাতা ও বাকলের দড়ি দিয়ে বানানো ছাতার বিকল্প হিসেবে কাজ করে। মাঠে বর্ষার সময় কৃষি কাজের জন্য খুবই উপযোগী। যদি ও আধুনিক যুগে এর ব্যবহার নাই বললেই চলে। যা বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতিতে ‘চাষীর বর্ষাতি নামে পরিচিত ছিল । একসময়ে গরমে পাখা আর বর্ষার জোংগৈর ছিল গ্রামীন জীবনের অঙ্গ। বিশেষ করে চাষী পরিবার গুলোতে এর কদর ছিল খুব। গ্রামে জোংগৈর ছিল চাষী পরিবারগুলোর গৃহস্থালির অন্যতম উপকরণ। বাড়ীর দেয়ালে বা দুয়াারে খুঁটিতে পেরেকে ঝোলানো থাকতো এই জোংগৈর ঝমঝম করে বৃষ্টি হচ্ছে আর ডোঙার মতো জোংগৈর মাথায় দিয়ে চাষিরা চাষ করছেন, এ দৃশ্য ধানের জমিতে খুব পরিচিত ছিল। এখন তা বিরল।

গ্রামের বৃদ্ধরা জানান, বাড়ীতে অন্যান্য আসবাব পত্রের অন্যতম ছিল জোংগৈর। এখন শীতকাল এলে যেমন বৈদ্যুতিক পাখা গুছিয়ে রাখা হয় তেমনি বর্ষার শেষে গুছিয়ে রাখতে হত জোংগৈর । আর সে দায়িত্ব নিতে হতো বাড়ীর মহিলাদের। একান্নবর্তী পরিবারে পেখার দায়িত্ব নিতেন প্রবীণা। বর্তমানে এগুলো এখন দেখা ও যায় না। সবাই আধুনিক যুগে এসে ছাতা ব্যবহার করছে। জোংগৈর যেমনে বিলুপ্ত ঠিক তেমনি বিলুপ্ত এই গ্রামীন শব্দটা ও। বর্ষায় আর কদর পায় না জোংগৈর। বর্ষা এলেই একসময় জোংগৈর কেনার জন্য গ্রামে গ্রামে হুড়োহুড়ি পড়ে যেত । বিশেষ করে চাষী পরিবার গুলোতে এর কদর ছিল খুব। তবে নতুন প্রজন্মের কাছে এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেয়া উচিত নতুবা কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাবে এসব গ্রামীন সংস্কৃতি ও হস্ত এবং কুটিরশিল্প।

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল খবরবাংলা২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন info@khaborbangla24.com ঠিকানায়।

‘বাবা’ হারালেন লিওনেল মেসি

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট...

সাড়ে ৬ বছরে ঝরল ১৫ হাজার ৭১২ প্রাণ

দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা যেন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ২০২০ সাল...

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে অস্থিরতার ষড়যন্ত্র!

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে...

বন্যার্তদের জন্য ৫০০ ঘর বানাবেন সালমান খান

আসামে ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন হাজারো...

আগস্ট শেষেই আবারও টানা ৪ দিনের ছুটি!

চলতি আগস্ট মাসের শেষ দিকে চাকরিজীবীদের জন্য আবারও টানা...

‘বাবা’ হারালেন লিওনেল মেসি

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট...

সাড়ে ৬ বছরে ঝরল ১৫ হাজার ৭১২ প্রাণ

দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা যেন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ২০২০ সাল...

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে অস্থিরতার ষড়যন্ত্র!

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে...

বন্যার্তদের জন্য ৫০০ ঘর বানাবেন সালমান খান

আসামে ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন হাজারো...

আগস্ট শেষেই আবারও টানা ৪ দিনের ছুটি!

চলতি আগস্ট মাসের শেষ দিকে চাকরিজীবীদের জন্য আবারও টানা...

সর্বশেষ

‘বাবা’ হারালেন লিওনেল মেসি

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা ও দীর্ঘদিনের এজেন্ট...

সাড়ে ৬ বছরে ঝরল ১৫ হাজার ৭১২ প্রাণ

দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা যেন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ২০২০ সাল...

বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে অস্থিরতার ষড়যন্ত্র!

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে...

বন্যার্তদের জন্য ৫০০ ঘর বানাবেন সালমান খান

আসামে ভয়াবহ বন্যায় ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন হাজারো...