
মোঃ মিঠু আহম্মেদ নারায়ণগঞ্জ:-
কথায় বলে পুলিশ জনতা জনতাই পুলিশ এই স্লোগান এখন শুধুমাত্র কাগজের পৃষ্ঠায় সীমাবদ্ধ নেই এখন আর এই স্লোগানের আদর্শ পুলিশ বাহিনির সদস্যদের মধ্যে ।বাংলাদেশের আইন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার কাজে নিয়োজিত বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা সর্বদাই ছিলো সাফল্যের স্থানে। আশির দশকের পর থেকেই দেখা যায় সাফল্যের স্থানে নিজেদের অবস্থান করছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনির সদস্যরা।জাতিসংঘের পরিচালিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাজেও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনির সদস্যরা নিজেদের অবস্থান করছেন বেশ সুনামের সঙ্গেই। বাংলাদেশ পুলিশের এতো সব প্রশংসার মধ্যে দিয়েও দেখা যায় কিছু কিছু জায়গায় বাংলাদেশ পুলিশের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার অনৈতিকতা ও অপরাধমূলক কর্মকান্ড। ঠিক এমনটাই দেখা মিলে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় দ্বায়িত্বে নিয়োজিত একজন পুলিশের এসআই সামাদের দ্বায়িত্বে অবহেলা ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার না করে সহয়তা প্রধানের কর্মকান্ডে।
উল্লেখ্য যে নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানার ভাগবাড়ি এলাকার নিরীহ ভুক্তভোগী আলমগীর তার উপর ২৬\৩\২০২৪ইং সন্ত্রাসীদের হামলা ও সঙ্গে থাকা ৯.৭৫০০০ হাজার টাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পর অভিযোগের দ্বায়িত্ব পালন কারি নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানা পুলিশের এসআই এসআই সামাদ অভিযোগের বিষয়ে সকল সত্যতা নিশ্চিত করার পরেও অভিযোগে উল্লেখিত হামলাকারীদের গ্রেফতার না করে একের পর এক তালবাহানা শুরু করে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সহায়তা করেন অভিযোগের দ্বায়িত্ব পালনকারি পুলিশ কর্মকর্তা এসআই সামাদ এমনটাই জানিয়েছেন সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার ভুক্তভুগী নিরীহ আলমগীর। ভুক্তভোগী নিজের জীবন ও পরিবারের সদস্যদের সন্ত্রাসীদের হামলার ভয়ে বার বার এসআই সামাদ কে মোবাইল ফোনে কল করে এবং বন্দর থানায় হাজির হয়েও কোনো ধরনের প্রতিকার না পেয়ে এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফার সঙ্গে বন্দর থানায় হাজির হয়ে দেখা করেন ও তার উপর হামলার বিষয়টি বর্ননা করেন। সে সময় বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই সামাদ কে ডেকে অভিযোগের বিষয়টির দ্রুত সমাধান করতে উভয়পক্ষ কে থানায় ডেকে বিষয়টি সমাধানের জন্য নির্দেশ দেন। নির্দেশ অনুযায়ী নির্ধারিত ২৯\৪\২০২৪ইং রোজ সোমবার সময়ে অভিযোগ কারি আলমগীর ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানায় যথাসময়ে উপস্থিত হওয়ার পরেও অনুপস্থিত ছিলেন সন্ত্রাসী হামলাকারীরা। বার বার অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করতে দেখা যায় সে সময় এসআই সামাদ কে। তার কিছু সময় পর এসআই সামাদ ভুক্তভুগী নিরীহ আলমগীর কে বলেন আজকে তারা বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত থাকার কারনে আসতে পারেন নি !আপনারা তাহলে আজ চলে জান ৩\৫\২০২৪ইং শুক্রবার বিকেল ৫টায় চলে থানায় আসবেন । পর্বতীতে নির্ধারিত সময় ৩\৫\২০২৪ইং শুক্রবার যথা সময়ের মধ্যেই অভিযোগকারি আলমগীর ও তার অফিসের মালিক বন্দর থানায় হাজির হলেও সে সময় দেখা যায় এসআই সামাদের অন্য আরেক রুপ ।যথাসময়ে উপস্থিত হয়ে যখন ভুক্তভোগী দেখেন আজ ও সন্ত্রাসী বাহিনীর কোন সদস্য বন্দর থানায় হাজির হন নি তখন এ বিষয়ে এসআই সামাদ কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে এসআই সামাদ বলেন তারা এসেছিলেন আপনারা আসতে দেরি হওয়ার কারনে তারা চলে গেছেন আপনারা চলে যান ।এসআই সামাদের এমন উত্তরের জবাবে ভুক্তভুগী আলমগীর বলেন সে দিন যখন আমরা নিজেদের সকল কাজ রেখে আইনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে বন্দর থানায় দুই ঘন্টা বসে ছিলাম তখন দেখি আপনি তাদের(অভিযুক্তদের)বার বার মোবাইল ফোনে কল করেও আনতে পারেন নি তাহলে আজ আপনার কথা মতো তারা আগেই এসেছিলেন তাহলে আমাদের কেনো আপনি কল করে জানালেন না।পুলিশের এমন আচরণ দেখার পর ভুক্তভুগী আলমগীর প্রতিবেদক কে বলেন বাংলাদেশ সরকারের পুলিশ বাহিনি পরিচালিত হয় আমাদের মতো নিরীহ বাংলাদেশের জনগণের অর্থেই। আমাদের অর্থে পরিচালিত পুলিশ সদস্যরা আমাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য এখন আর কিছুই করেন না তারা শুধুমাত্র টাকা নিয়ে নিরীহ মানুষের অভিযোগের আসামীদের নিরাপত্তা দিয়ে আমাদের মতো মানুষদের হয়রানি করে থাকেন।এতে করে সন্ত্রাসীদের মধ্যে আইনের প্রতি ভয় কমে জায় এবং সন্ত্রাসীরা আরো বেপরোয়া হয়ে সমাজে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ড করে থাকেন।আমি আমার উপর হামলার সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মহদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করার অনুরোধ করছি ।ও এসআই সামাদের এমন অসাধু আচরণের সঠিক বিচার কামনা করছি ।


