মোঃ শামীম মিয়া, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
মানিকগঞ্জ শিবালয় উপজেলায় উলাইল ইউনিয়ন গাংধাইর গ্রামের মসজিদ সংলগ্ন গাংধাইর মৌজা থেকে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে রাতের আঁধারে মাটি কেটে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দেদারসে তা অন্যত্র বিক্রি করে আসছেন গাংধাইর গ্রামের ভূমি দস্যু অবৈধ মাটির ব্যাবসায়ী মোঃ চান মিয়া। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাতে মাটি বহনকারী ট্রাক বেপরোয়া ভাবে চলছে, এতে একদিকে যেমন ধুলোবালি উড়ে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে অন্যদিকে জনসাধারণের চলাচলের পাকা রাস্তা বিনষ্ট হচ্ছে, যার ফলে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলেছে।
স্থানীয় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন ,চান মিয়া নিজেকে ক্ষমতাবান ভাবেন তাই তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পান না। সে ভেকু দিয়ে রাতের আঁধারে মাটি কেটে তা শাকরাইল গ্রামে বিক্রি করছেন।যে গাড়ি গুলোতে মাটি বহন করছে তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে আশেপাশের এলাকা রুপসা,ভাওর , দক্ষিণ শাকরাইল ও শাকরাইল গ্রামের পাকা রাস্তার অনেক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। তাছাড়া গাড়ি থেকে যে পরিমাণ ধুলোবালি উড়ছে তা এই ঘরমে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। রাতের আঁধারে মাটি বহন কারি গাড়ির বিকট শব্দে মানুষ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে। এ ছাড়া অসুস্থ মানুষের জন্য ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। এ থেকে আমরা পরিত্রান চাই।
এ বিষয়ে মাটির ব্যবসায়ী মোঃ চান মিয়ার নিকটে জানতে চাইলে প্রথমত তিনি সাংবাদিকদের দেখে রাগণ্বিত হোন এবং বিভিন্ন যুক্তি দিয়ে কথা বলতে থাকেন। তিনি বলেন ,এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী অফিসার ইউএনও কে বলা হয়েছে এবং আমার ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের অনুমতি আছে। রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার বিষয়ে জানতে উলাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনিসুর রহমান আনিছের মুঠো ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা নিবার্হী অফিসার( ইউএনও) মোঃ বেলাল হোসেনের নিকটে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে, তিনি বলেন ভেকু দিয়ে মাটি কেটে তা অন্যত্র বিক্রি করার কোন অনুমতি নেই।বিষয়টি আমি জানলাম। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।


