সুদর্শন আচার্য্য মদন, নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ
ভ্যাপসা গরমে নিম্ন আয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে বেশি। বাড়ছে জ্বর, ডায়রিয়া,শ্বাসকষ্ট – সহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশিরভাগ শিশু-কিশোরও বৃদ্ধরা। গত দুই সপ্তাহের অস্বাভাবিক তীব্র গরমে বাড়ছে জ্বর, ডায়রিয়া, ও নিমোনিয়া রোগি।
এরই মধ্যে মদন উপজেলার ৫০ শয্যা হাসপাতালের ওয়ার্ডে ডায়রিয়া ও জ্বরের রোগি ভর্তী হয়েছে। আবার অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা শেষ নিজ নিজ বাড়ি চলে গেছে।
উপজেলা (৫০) শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে সোমবার সকালে গিয়ে দেখা যায়,তীব্র গরমে অনেক শিশু ডায়রিয়া,হাঁপানি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।ভর্তির পাশাপাশি হাসপাতালের আউটডোরেও রোগী সংখ্যা বেশ।
নেত্রকোনার মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, ৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে ১২ এপ্রিল হতে এপর্যন্ত জ্র্বর ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় শতাধিক রোগী। এরই মধ্যে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৬১জন, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে ৯১, জন এছাড়াও গরম জনিত রোগে ভর্তি রয়েছেন অনেকেই যারমধ্যে ৪৫ জনই শিশু।যাদের অধিকাংশই ডায়েরিয়া ও নিমোনিয়ায় আক্রান্ত।
নেত্রকোনার মদন উপজেলার চাঁনগাওইউনিয়নের বাসিন্দা ভেন গাড়ি চালক বিক্ষু মিয়া বলেন, পরিবারের ৬-৭ জন মানুষ আছে “গাড়ি নিয়া না অইলে কিতা খাইয়াম হোলাপাইন ছোটো,ছোটো আর পারছি না খুব গরম।গলা শুকাইয়া যায়।তাই একটু জিড়াইতাছি ভাই।ভর দুপুরে উপজেলার সাহাপুর ওয়ার খালের ব্রিজের পাশে বটগাছের ছায়ায় বসেছিলেন ভ্যানচালক।
মদন পৌরসদরের তরমুজ বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন তীব্র গরমের কারণে বিক্রি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে তরমুজের দাম এখন অনেক বেশি।
কাইটাল ইউনিয়ন থেকে আসা সবুজমিয়া বলেন গত ৫ দিন ধরে শিশুর পাতলা পায়খানা ও জ্বর নিয়া ভর্তি আছি এখন একটু ভালো আছে।
হাসপাতালের (আরএমও) ডাঃ মোঃ তায়েব হোসেন বলেন আবহাওয়া পরিবর্তন কারণে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হচ্ছে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিরা আক্রান্ত হচ্ছে। এখন গরম যত বাড়ছে জ্বর, ডায়রিয়া, রোগিও বাড়ছে।তবে রোগীর সংখ্যা কয়েক দিনের তুলনায় এখন কিছুটা সহনীয় পর্যায়ে আছে।এক্ষেত্রে পানি ও তরল জাতীয় খাবার খওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।


