ষ্টাফ রিপোটার এম বাদল খন্দকার:
সরাইলে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ফসলি জমির মাটি বিক্রয়ের ব্যবসা। একাজে ব্যবহার হচ্ছে ড্রেজার। নিয়ম না থাকলেও বিভিন্ন সেক্টরকে ম্যানেজ করেই চলছে পুকুর ভরাট। পাইপের সাহায্যে ৫-১৫ কিলোমিটার দূরে বিক্রি করছেন ফসলি জমির মাটি। দায়িত্বশীলরা দেখেও অজানা কারণে নীরব। কৌশলে এই ব্যবসা থেকে টুপাইস কামাই করছেন নামকা ওয়াস্তের কিছু সমাজপতি। ধান্ধা করছেন কথিত কতিপয় গণমাধ্যম কর্মী।
জাতীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে প্রথম দিকে কয়েক দিন গরম থাকেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনকে ভর করে ভিজিট বাড়িয়ে দেন শোষণকারীরা। কারবার শেষ হলে আস্তে করে এক সময় আবার নীরব হয়ে যায়। এই অবৈধ ব্যবসাটা কিভাবে করতে হয় তা রপ্ত করে ফেলেছেন ওই ব্যবসায়িরা।
নোয়াগাঁও ইউনিয়নের তেরকান্দা- সরাইল সড়কের পাশের ফসলি জমি থেকে দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজারে মাটি কেটে পাইপের মাধ্যমে সরাইল সদরে পুকুর ভরাটের কাজ চলছে। সরাইল সদরের উচালিয়াপাড়া ও নোয়াগাঁও ইউনিয়নের মহালধারা গ্রামের মাঝের হাওরের ফসলি জমি ড্রেজারে কেটে পাইপে করে বিক্রি করা হচ্ছে সরাইল সদরে। এছাড়া কালীকচ্ছ, আকাশী হাওর, শাহজাদাপুর, চুন্টা, শাহবাজপুর, পাকশিমুল এলাকায় ড্রেজার আর বেকু দিয়ে কাটা হচ্ছে ফসলি জমির টপসয়েল। এ কারণে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে ও জমির পরিমাণ কমছে। দিন দিন হুমকি বাড়ছে পরিবেশের। তারপরও প্রকাশ্যে সংশ্লিষ্টদের চোখের সামনে ড্রেজারে ফসলি জমির টপ সয়েল কাটা ও পুকুর ভরাটের প্রতিযোগিতা শুধু দেখছেন কর্তা বাবুরা।


