সুদর্শন আচার্য্য, মদন নেত্রকোনা প্রতিনিধিঃ
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারি কাম হিসাব রক্ষক মেজবাহ উদ্দিন এর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাধের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ২ই জুলাই এই অভিযোগ করেছেন। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এম্বুলেন্সের গাড়ি চালক আবুল হুসাইন মোঃ শহিদুল ইসলাম।
হিসাব রক্ষক মেজবাহ উদ্দিনের সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায় ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এম্বুলেন্স এর জন্য ৪ টি টায়ার, একসেট ব্রেকপেড, ও একসেপ্ট ব্রেকশো এর জন্য আবেদন করেন শহিদুল ইসলাম। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে এক লক্ষ ১১ হাজার ৮৭৫ টাকা বরাদ্দ দেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ৪ টি টায়ারের স্থলে ৫ টি টায়ার দেখিয়ে বিল রেজিষ্টারে ১০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্পে চালক শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষর নেন হিসাব রক্ষক মিসবাহ উদ্দিন।
মালপত্র না কিনে টাকা উত্তোলন করে নিজের কাছে রেখে দেন বরাদ্দের টাকা। এম্বুলেন্স চালক শহিদুল ইসলাম টায়ার কিনতে হিসাব রক্ষকের কাছে টাকা চাইলে টাকা নাদিয়ে নিজে ক্রয় করবেন বলে জানান। এ নিয়ে চালক ও হিসাবরক্ষকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।অ্যাম্বুলেন্স এর মালপত্র ক্রয় না করে টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে চালক শহিদুল ইসলাম হিসাব রক্ষক মিসবাহ উদ্দিন এর বিরুদ্ধে গত ২ই জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।
মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মেজবাহ উদ্দিন কালবেলা কে জানান এম্বুলেন্সের ৪ টি টায়ার ক্রয় করার জন্য স্যারের নির্দেশে এক লাখ ১১ হাজার ৮৭৫ টাকা তুলেন তিনি। অ্যাম্বুলেন্সের চালক কে সঙ্গে নিয়ে ময়মনসিংহ থেকে গাড়ির মালপত্র ক্রয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এম্বুলেন্স চালক নগদ টাকা নিতে চায়। আমি এতে অসম্মতি জানালে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার নুরুল হুদা খান নিউজ 24 কে জানান। হিসাবরক্ষক মেজবাহ উদ্দিন কে নির্দেশ দিয়েছিলাম টাকা উত্তোলন করে অ্যাম্বুলেন্স চালক শহিদুল ইসলাম কে সঙ্গে নিয়ে মালামাল ক্রয় করার জন্য। কিন্তু শুনেছি হিসাব রক্ষক কে নিয়ে মালামাল ক্রয় করতে রাজি নয় অ্যাম্বুলেন্স চালক শহিদুল ইসলাম। এ বিষয় নিয়ে এম্বুলেন্স চালক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্আলম মিয়া নিউজ 24 কে জানান। আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স চালকের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। একটি তদন্ত কমিটির মাধ্যমে যাচাই বাছাই করে দেখা হবে বিষয়টি কি হয়েছে।



