হবিগঞ্জের মাধবপুরে ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আতাউস সামাদ বাবুর একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম-পরিচয় সংরক্ষণ করে রাখার কথা উল্লেখ করে তাঁদের অবসরের পরও শান্তিতে বাড়ি ফিরতে না দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
হবিগঞ্জের মাধবপুরে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেনকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া ওই পোস্টে আতাউস সামাদ বাবু লেখেন, ‘দেলোয়ার সাহেবদের নাম-ঠিকানা আমরা রাখছি, কারণ তারাও পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।’
নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে বাবু দাবি করেন, তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে ওই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। একই পোস্টে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজের গ্রেপ্তারের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
পোস্টে বাবু আরও লেখেন, ‘আমরা আরও কয়েকবার জেল মেনে নিয়েই রাজনীতি করছি। সবাই দোয়া করবেন আমার জন্য।’
এদিকে, বাবুর বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন এএসআই দেলোয়ার হোসেন। সংবাদমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, মাদকের একটি তদন্তের কাজে তিনি ওই এলাকার পাশে গিয়েছিলেন। সেটিকে কেন্দ্র করে বাবু তাঁর নামে ফেসবুকে লিখেছেন বলে দাবি করেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানিয়েছেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখবেন বলেও জানান তিনি।
প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, মাধবপুর থানার অধীন কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত এএসআই দেলোয়ার হোসেন ওয়ারেন্ট তামিলে ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ হবিগঞ্জের পুলিশ সুপারের কাছ থেকে পুরস্কার পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, আতাউস সামাদ বাবু মাধবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক। তাঁর ফেসবুক পোস্টে ব্যবহৃত ভাষা ও পুলিশ কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে দেওয়া বক্তব্য ঘিরে স্থানীয়ভাবে আলোচনা চলছে। তবে এ ঘটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
আরু|



