‘চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে, এরপর অন্য জেলার মানুষ’ সুন্নি ঘরানার বক্তা মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরীর এমন একটি বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও সমালোচনা।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মসজিদের মিম্বারে দাঁড়িয়ে আতাউল বারীকে বলতে শোনা যায়, ‘রাউজানের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে।’ এর কারণ হিসেবে তিনি রাউজানে সুন্নি ও ‘আশেকে রাসুল’-এর সংখ্যা বেশি বলে উল্লেখ করেন।
এরপর চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাউজানের পর রাঙ্গুনিয়া, এরপর হাটহাজারী, বাঁশখালী, আনোয়ারা ও পটিয়ার মানুষ জান্নাতে যাবে। এভাবে পুরো চট্টগ্রামবাসীকে আল্লাহ জান্নাত দেওয়ার পর অন্য জেলার মানুষ যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তব্যে আতাউল বারী চট্টগ্রামকে ‘সুন্নিয়তের ক্যান্টনমেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, চট্টগ্রামে ৯০ শতাংশ মানুষ সুন্নি এবং ‘আশেকে রাসুল’।
ভিডিওর আরেক অংশে ৭৩ দলের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, কেয়ামতের আগে ৭৩টি দল হবে এবং এর মধ্যে ৭২টি দল জাহান্নামে যাবে।
তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একটি দল জান্নাতে যাবে, আর সেটি হলো ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’।
বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি বলেন, ‘জান্নাতে যেতে চাইলে সুন্নি হয়ে যান’ এবং নামের আগে ‘সুন্নি’ লাগানোর কথাও বলেন।
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ বক্তব্যটির সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে হাস্যরসও করছেন।
মাওলানা আতাউল বারী আলকাদেরী সুন্নি বা রেজভী ধারার স্থানীয় বক্তা ও শায়ের হিসেবে পরিচিত।
অনলাইনে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এর আগেও বিভিন্ন বক্তব্যের কারণে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থাকা বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গণ্ডামারা এলাকায়।
তবে ভাইরাল ভিডিওটির পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট, বক্তব্যটি কখন ও কোথায় দেওয়া হয়েছিল এবং এ বিষয়ে মাওলানা আতাউল বারীর কোনো ব্যাখ্যা বা প্রতিক্রিয়া আছে কি না তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
আরু|



