দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ এবার নতুন মাত্রা পেতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মাটিতে অনুষ্ঠেয় ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে প্রথমবারের মতো ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর (VAR) প্রযুক্তি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে দক্ষিণ এশীয় ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।
সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম ক্যাটেল জানিয়েছেন, টুর্নামেন্টে ভিএআর ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। তবে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, অবকাঠামো ও অন্যান্য কারিগরি বিষয় পর্যালোচনার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশি স্টেডিয়ামগুলোতে পূর্ণাঙ্গ ভিএআর অবকাঠামো না থাকলেও প্রয়োজনীয় সংখ্যক ক্যামেরা স্থাপন করে রিমোট ভিএআর ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রযুক্তিটি ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামী ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর ঢাকায় বসবে ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর। সাফের ১৫তম এই আসরের আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ আট বছর পর আবারও বাংলাদেশে ফিরছে দক্ষিণ এশিয়ার পুরুষ ফুটবলের এই প্রধান প্রতিযোগিতা।
এবারের আসরকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে বেশ কিছু উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নতুন নকশার ট্রফি উন্মোচনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ম্যাচ চলাকালে মাঠে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় পর্দায় সাফের ম্যাচ দেখানোর ব্যবস্থাও করার চিন্তা রয়েছে।
এদিকে নেপালের অংশগ্রহণ নিয়ে এখনো কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপাল বর্তমানে সাফের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।
সাফ জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে নেপাল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে। অন্যথায় নেপালকে ছাড়াই ছয় দল নিয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে।
১ আগস্ট থিম্পুতে অনুষ্ঠিত ড্র অনুযায়ী ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও ভুটান। নেপাল নিষেধাজ্ঞামুক্ত হলে তারা এই গ্রুপে যুক্ত হবে। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তান।
সব মিলিয়ে এবারের সাফে একদিকে যেমন থাকবে মাঠের লড়াই, অন্যদিকে প্রযুক্তির নতুন সংযোজনও বাড়াবে উত্তেজনা। ভিএআর বাস্তবায়ন চূড়ান্ত হলে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের এই আসরেই প্রথমবারের মতো বড় পরিসরে ভিডিও প্রযুক্তির সহায়তা নিতে যাচ্ছে সাফ।
আরু|



