সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতদের পরিচয়ও প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনই নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বাসিন্দা। বাকি তিনজনের মধ্যে দুজন নাটোরের নলডাঙ্গা এবং একজন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাসিন্দা।
সোমবার (১০ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে নিহতদের পরিচয় জানানো হয়।
নিহত ১৩ জন নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা।
তাঁরা হলেন- উজানপই গ্রামের ফরিদ, ডুবাই গ্রামের শুভ ও সুমন, গন্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে মো. রুবেল প্রামাণিক, একই গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে মো. কলিমউদ্দিন, গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মো. মোহন ও মো. সুমন। মোহন ও সুমন আপন দুই ভাই।
এ ছাড়া বোয়ালা গ্রামের হৃদয়, নওগাঁ গ্রামের শাহিন, খরস্রোতা গ্রামের আব্দুল জলিল, মজিদুল, সাধননগর গ্রামের সাগর এবং আত্রাই উপজেলার মিনহাজও নিহত হয়েছেন।
নিহত অন্য তিনজনের মধ্যে নাটোরের নলডাঙ্গার দিঘীরপাড় গ্রামের শামিম ও খাজুরা গ্রামের সাব্বির রয়েছেন। আর রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ডাংগাপাড়ার মরুগ্রামের শ্যামলও এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন।
রোববার সৌদি আরবের রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় আগুন লাগে। সেখানে কর্মরত বাংলাদেশিরা অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। ঘটনার পর প্রথমে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়ায়।
নিহতদের বাড়িতে এখন শোকের মাতম। বিশেষ করে নওগাঁর আত্রাই ও নাটোরের নলডাঙ্গায় স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ। প্রবাসে পরিবারের স্বচ্ছলতার জন্য কাজ করতে যাওয়া এসব বাংলাদেশির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক।
আরু|খব



