মোহাম্মদ কেফায়েত উল্লাহ, স্টাফ রিপোর্টার (খাগড়াছড়ি ):
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৮ নং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আসনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। ২০১৪ ও ২০১৮ সালে টানা দুইবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে এ আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তিন মেয়াদে এ জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন দৃশ্যমান। শুধু আর্থসামাজিক উন্নয়নই নয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যাবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে জনগন নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী করবে বলে আশা করছেন বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা।
আওয়ামী লীগের গত ১৫ বছরের শাসন আমলে পার্বত্য এই জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। শুধু আর্থসামাজিক উন্নয়নই নয়, অবকাঠামোগত ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। খাগড়াছড়ি টু চট্টগ্রাম ও রামগড়-বারইয়ার হাট সড়কে এবং জেলা-উপজেলায় অনেক রাস্তাঘাট ও সেতু-কালভার্ট তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে কিছু কিছু এলাকায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। ডিজিটাল থেকে স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এবার এমপি নির্বাচিত হলে পিছিয়ে পড়া যেসব এলাকা রয়েছে সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে বলে ভোটারদের সাথে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বাবু কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ১০টি উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নৌকা প্রতীকের এই প্রার্থী :
১. পাহাড়ে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে সবার উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের উন্নয়নে প্রকল্প গ্রহণ।
২. নির্বাচনি এলাকার মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিক থেকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে লক্ষ্মীছড়ি এবং মাটিরাঙ্গা উপজেলার দুর্গম এলাকাগুলো। আগামীতে দুর্গম এলাকাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাস্তবায়ন।
৩. নির্বাচনি এলাকার ৯ উপজেলার গ্রামগঞ্জে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার জন্য মিনি স্টেডিয়ামসহ ছোটখাটো মাঠ তৈরি।
৪. সবার স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ।
৫. খাগড়াছড়িতে বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ।
৬. বেকারত্ব দূরীকরণে পার্বত্য এলাকায় শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ।
৭. বাল্যবিবাহ রোধে টেকসই পদক্ষেপ ও নারীর ক্ষমতায়নে তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প বাস্তবায়ন।
৮. পাহাড়ের বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ এবং পরিবেশদূষণ রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ।
৯. পর্যটন শিল্পের টেকসই বিকাশ নিশ্চিত করতে খাগড়াছড়ির পর্যটনকেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন।
১০. পাহাড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিষ্ঠানগুলোকে গতিশীল করার উদ্যোগ গ্রহণ।


