কক্সবাজারের পাঁচ তারকা হোটেল রামাদাকে ঘিরে ‘হানি ট্র্যাপ’ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। হোটেলটিতে কর্মরত বৈশাখী নামের এক নারীকে কেন্দ্র করে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে হোটেলটির মালিক ও বর্তমান বিএনপির সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশকারীরা।
অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই ওই নারীকে কেন্দ্র করে এসব কর্মকাণ্ড চলে আসছে। দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের সংসদ সদস্য, মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতা এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এই ফাঁদে পড়েছেন বলেও দাবি করা হচ্ছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে, হোটেলটির মালিক ও বর্তমান বিএনপির সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতেন কি না। তাঁর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
অভিযোগগুলো সত্য হলে, হোটেল কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকা কী ছিল এবং কর্মকাণ্ড বন্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের পেছনে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি কিংবা প্রভাবশালী মহলের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, সেটিও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।
রামাদা হোটেলকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা কী, হোটেল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল এবং কথিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কোনো রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত কি না এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠছে।
জনস্বার্থে এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য গ্রহণ এবং প্রমাণের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। ক্ষমতা কিংবা প্রভাবের আড়ালে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে, তার জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
আরু|



