জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্কে যখন বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, তখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অবস্থানরত হোটেলের কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত স্যুটকেস ঘিরে নিরাপত্তা তৎপরতা চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেলে ম্যানহাটনের ইস্ট ৪৩তম স্ট্রিট ও থার্ড অ্যাভিনিউয়ের কাছে একটি সন্দেহজনক কালো স্যুটকেস পড়ে থাকতে দেখা যায়। এলাকাটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অবস্থানরত হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলের কাছাকাছি।
স্যুটকেসটি পাওয়ার পর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ এনওয়াইপিডি এলাকাটি ঘিরে ফেলে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ৪২ থেকে ৪৪তম স্ট্রিটের বেশ কিছু অংশে যান ও পথচারী চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে বোমা স্কোয়াড ও অন্যান্য বিশেষায়িত ইউনিটও মোতায়েন করা হয়।
এ সময় পাশের ক্রাইসলার বিল্ডিংয়ের কিছু অংশ সতর্কতামূলকভাবে খালি করা হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
তবে প্রায় দেড় ঘণ্টার তদন্তের পর কর্তৃপক্ষ জানায়, সন্দেহজনক প্যাকেজটি কোনো হুমকি তৈরি করেনি। এনওয়াইপিডিও পরে জানায়, প্যাকেজটি পরীক্ষা করে সেটিকে আর সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন চলায় নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে এরই মধ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বর্তমানে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন এবং ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
অর্থাৎ, ‘বোমাভর্তি স্যুটকেস’ বলা সঠিক নয় এটি ছিল একটি সন্দেহজনক স্যুটকেস, যা পরে কর্তৃপক্ষ কোনো হুমকি নয় বলে নিশ্চিত করেছে।
আরু|



