চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় ‘মুরাদ বাহিনী’র প্রধান মুরাদসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার অন্য দুজন হলেন সুমন ও রুহুল আমিন।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাকলিয়ার সৈয়দশাহ রোড এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় মুরাদ প্রধান আসামি।
পুলিশ ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মুরাদ ও জসিমের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে এ বিরোধের জেরে সৈয়দশাহ রোড এলাকায় দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং বিকট শব্দের ঘটনা ঘটে। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর বাকলিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়। প্রথম দফায় ওই ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (গণমাধ্যম) আমিনুর রশিদ জানান, গ্রেপ্তার মুরাদের পিসিপিআর যাচাই করে সিএমপির বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া ১৬টি মামলায় তার আসামি থাকার তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের ভাষ্য, বাকলিয়ার ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের বিরোধ দীর্ঘদিনের।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সংঘর্ষে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরাও জড়িত ছিল।
বাকলিয়া থানার ওসি শাহীনুর আলম এর আগে জানিয়েছিলেন, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে মুরাদ ও জসিমের অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হলেও কেউ গুরুতর আহত হননি।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সংঘর্ষে ব্যবহৃত অস্ত্র বা বিস্ফোরক এবং ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
আরু|



