গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পানিশূন্যতার ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তবে অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন না। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, দুর্বলতা ও শক্তির অভাবসহ নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু পানি পান করাই নয়, পানির সঙ্গে কিছু উপাদান মিশিয়ে পান করলে শরীর দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড থাকতে পারে।
লেবু
পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে স্বাদ বাড়ে এবং বেশি পানি পান করতে উৎসাহ জাগে। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইলেক্ট্রোলাইটসমৃদ্ধ পানীয় শরীরে পানি ধরে রাখতে বেশি কার্যকর।
পুদিনা পাতা
পুদিনা শরীরে শীতল অনুভূতি সৃষ্টি করে এবং পানিকে আরও সতেজ করে তোলে। যদিও এটি সরাসরি ইলেক্ট্রোলাইটের উৎস নয়, তবে এর সুগন্ধ ও স্বাদ মানুষকে বেশি পানি পান করতে উদ্বুদ্ধ করে। ফলে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে।
চিয়া সিড
চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তা জেলের মতো আবরণ তৈরি করে, যা শরীরে পানির শোষণ ধীরগতির করে এবং দীর্ঘ সময় হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক চা-চামচ ভেজানো চিয়া সিড পানিতে বা লেবুর শরবতে মিশিয়ে পান করা উপকারী।
এক চিমটি লবণ
পানিতে অল্প পরিমাণ লবণ মিশিয়ে পান করলে শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। সোডিয়াম শরীরের তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং অতিরিক্ত ঘামের কারণে হওয়া পানিশূন্যতা কমাতে সাহায্য করে।
শসা
শসায় প্রায় ৯৫ শতাংশ পানি থাকে। এছাড়া এতে রয়েছে পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। পানিতে শসার টুকরা মিশিয়ে পান করলে তা পানিকে আরও সতেজ করে তোলে এবং শরীরের পানির চাহিদা পূরণে সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, প্রচণ্ড গরমে সুস্থ থাকতে নিয়মিত পানি পানের পাশাপাশি এসব উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো স্বাস্থ্যগত জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
আরু/


