জন্মনিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য প্রায় ১৯৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার চক্র তৃতীয় প্রজন্মের খাবার বড়ি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
ক্রয় প্রস্তাব অনুযায়ী, দুইটি পৃথক প্যাকেজে মোট ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার চক্র জন্মনিয়ন্ত্রণের খাবার বড়ি কেনা হবে। এতে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১৯৩ কোটি ১৬ লাখ টাকা। প্রতি চক্রের দাম পড়বে প্রায় ৪৯ টাকা ৮৫ পয়সা।
‘চক্র’ বলতে একজন নারীর এক মাসের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত একটি পূর্ণ প্যাকেট বা কোর্সকে বোঝানো হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এ ক্রয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এতে একমাত্র দরদাতা হিসেবে রেনাটা পিএলসি নির্বাচিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি তৃতীয় প্রজন্মের এসব খাবার বড়ি সরবরাহ করবে।
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এ ক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। ‘সমাপ্ত ৪র্থ সেক্টর কর্মসূচির অত্যাবশ্যকীয় পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার অসমাপ্ত কার্যাবলি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এসব বড়ি সংগ্রহ করা হচ্ছে।
সরকারের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে খাবার বড়ির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৩৯ শতাংশ সক্ষম দম্পতি জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য খাবার বড়ির ওপর নির্ভরশীল।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মজুত থাকা বড়ি দিয়ে এক মাসেরও কম সময়ের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব। ফলে সরবরাহে যেন কোনো ঘাটতি তৈরি না হয়, সে জন্য নতুন করে বিপুল পরিমাণ বড়ি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এর মাধ্যমে দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরু|



