চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ফেল থেকে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। একই সঙ্গে নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৯ জন। এছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে আরও অনেক শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি আবেদনকারীদের দেওয়া মুঠোফোন নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানানো হয়েছে।
এবার ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য রেকর্ডসংখ্যক আবেদন জমা পড়ে। ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী আবেদন করেন। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারায় মোট উত্তরপত্রের সংখ্যা ছিল আরও বেশি।
সব মিলিয়ে লিখিত পরীক্ষার ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা হয়। অর্থাৎ মোট ১২ লাখ ৮৭ হাজার ৯২৬টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আওতায় আসে।
এবারের পুনর্নিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায়ও আনা হয় পরিবর্তন। আগের নিয়মে মূলত উত্তরপত্রে নম্বর যোগে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হতো। তবে এবার আবেদন করা উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের পাশাপাশি পুনর্মূল্যায়নও করা হয়েছে।
বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এ বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত ও ব্যবহারিক মিলিয়ে মোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭৭টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেন।
এদিকে, গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর এবার পুনর্নিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হলো।
চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। মূল ফল প্রকাশের পর অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের আবেদনের পর এবার পরিবর্তিত ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
আরু|



