চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনের সাত সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া গত ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডে দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় অস্ত্র প্রদর্শনকারীদেরও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টার দিকে চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) মো. রাসেল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. রাসেল জানান, ডেভিড ইমনের সাত সহযোগীকে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ১ সেপ্টেম্বর সীতাকুণ্ডে অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় কয়েকজনকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ও উদ্ধার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হবে।
এর আগে গত ২৯ জুলাই যশোরের কোতোয়ালী থানার ঝুমঝুমপুর এলাকা থেকে ডেভিড ইমনসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের দাবি, গত ১৩ জুন পাহাড়তলী এলাকায় মাকসুদুল হক চৌধুরী হত্যা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ধারাবাহিক গোয়েন্দা অভিযানের ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ জুলাই ভোরে ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের মানিকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বসতবাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি দেশীয় এলজি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ডেভিড ইমনের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে। এ ছাড়া একাধিক হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার বিষয়েও তদন্ত চলছে।
আরু|



