সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের পর সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। ঘটনার কারণ নিয়ে ছড়াচ্ছে একের পর এক দাবি কেউ বলছেন চাঁদাবাজি, কেউ দেখছেন রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, আবার কেউ বলছেন পুরো ঘটনাই নাকি প্রচারণার কৌশল!
সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- স্টুডিওতে আপত্তিকর ভিডিও ধারণের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের ষড়যন্ত্র, জামায়াত-এনসিপির সম্পৃক্ততা, কিংবা বিএনপির নাম খারাপ করতে পরিকল্পিত হামলার তত্ত্ব।
আবার কেউ কেউ দাবি করছেন, চাঁদা চাওয়া হয়েছিল সালমানের কাছে নয়, বরং ভবনের মালিকের কাছে; হামলার সময় পুরো প্রকল্পে ভাঙচুর হওয়ায় মাঝখানে থাকা স্টুডিওটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এমনকি ঘটনাটিকে সালমানের ‘পিআর স্ট্যান্ড’ বলেও দাবি করছেন কেউ কেউ। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তার শ্বশুরের সম্পদের পরিমাণ এবং মদের ব্যবসা নিয়ে নানা রসাত্মক ও যাচাইহীন দাবি।
তবে এসব দাবির কোনোটি এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্যভাবে প্রমাণিত নয়।
বরং পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য বলছে, ঘটনাটি চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে নয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিউ গিনি প্রপার্টিজ ও পাশের জমির মালিকের বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানিয়েছেন, সালমানের স্টুডিও হামলাকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল না; ঘটনাস্থলের মাঝখানে থাকায় স্টুডিওটিও ভাঙচুরের শিকার হয়। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, নিউ গিনি প্রপার্টিজের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, হামলার পেছনে জমি দখলের চেষ্টা ও দীর্ঘদিনের চাঁদাবাজির ঘটনা রয়েছে। সালমানও বলেছেন, হামলাটি শুধু তার স্টুডিওকে লক্ষ্য করে হয়নি।
অর্থাৎ, ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে। এর মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা ‘তত্ত্ব’ নিয়ে চলছে হাস্যরস ও বিতর্ক।
আরু|



