কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তার দাবি, চাঁদাবাজির অভিযোগ নয়, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের ভেতরে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
রোববার সকাল ১১টা ৩৮ মিনিটে নিজের ফেসবুক পোস্টে এ দাবি করেন রাশেদ খাঁন।
পোস্টে তিনি বলেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের সংলগ্ন সাবেক কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তার প্রায় ২৩ কাঠা জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৮ কাঠা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে।
ওই কর্মকর্তাদের দাবি, প্রভাব বিস্তার করে নিউ গিনি প্রোপার্টিজের মালিক নাজিম উদ্দীন ৮ কাঠা জমি দখল করেছেন।
রাশেদ খাঁনের দাবি, সম্প্রতি নাজিম উদ্দীনের কাছ থেকে প্রায় ৫ হাজার বর্গফুট জায়গা ভাড়া নিয়ে স্টুডিও করেন সালমান মুক্তাদির। একই সময়ে এমনভাবে তিনটি নতুন গেট নির্মাণ করা হয়, যাতে অন্য জমির মালিকরা ভেতরে প্রবেশ করতে না পারেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে জমির মালিকদের পক্ষের লোকজন গেট ভাঙতে গেলে নাজিম উদ্দীনের সম্পদ মনে করে সালমানের স্টুডিওতেও হামলা ও ভাঙচুর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের সঙ্গে বিএনপি কিংবা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা নেই।
তার ভাষ্য, আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে পেশিশক্তি প্রদর্শনের কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।
এদিকে, হামলার পর সালমান মুক্তাদির অভিযোগ করেন, চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপির লোকজন তার স্টুডিওতে হামলা চালিয়েছে।
তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি জমি নিয়ে বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ঘটনায় কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টের শেষ দিকে সালমান মুক্তাদিরকে পুরো ঘটনা জেনে বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি বলেন, ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের শাস্তি হওয়া উচিত এবং সালমান ন্যায়বিচার পাবেন বলে তিনি আশা করেন।
আরু|



