আলিম পরীক্ষার উত্তরপত্র নিজে মূল্যায়ন না করে ছাত্রদের দিয়ে মূল্যায়ন করানোর অভিযোগ উঠেছে নরসিংদীর এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সব ধরনের পরীক্ষা-সংক্রান্ত কার্যক্রমে তাকে আজীবনের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন নরসিংদীর মাধবদী উপজেলার গদাইরচর আছিয়া ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ইসলামের ইতিহাস বিষয়ের সহকারী অধ্যাপক। অভিযোগ রয়েছে, চলতি বছরের আলিম পরীক্ষার উত্তরপত্র তিনি নিজে মূল্যায়ন না করে তার শিক্ষার্থীদের দিয়ে দেখিয়েছেন।
সম্প্রতি এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নজরে আসার পর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সংশ্লিষ্টদের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এরপর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধবদী থানায় নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০-এর অধীনে মামলাটি করা হয়েছে।
এদিকে, উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিধিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাকে পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সব পরীক্ষা-সংক্রান্ত কার্যক্রমে আজীবনের জন্য দায়িত্ব পালনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পাবলিক পরীক্ষার উত্তরপত্র নির্ধারিত নিয়ম ও গোপনীয়তা বজায় রেখে পরীক্ষককে নিজ দায়িত্বে মূল্যায়ন করতে হয়। তাই অন্য কাউকে দিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগকে গুরুতর অনিয়ম হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরু|



