এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ে আগামী ১৫ ও ১৬ অক্টোবর সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এতে রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ও প্রাপ্তি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এলপিজি সিলিন্ডার পরিবহন ও বিক্রির ক্ষেত্রে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযানে জরিমানা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা।
তাঁদের দাবি, কোম্পানিগুলো যেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের বাইরে নিজেদের ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে না পারে।
ব্যবসায়ীরা আরও বলছেন, ঋণপত্র বা এলসি খুলতে জটিলতা এবং কয়েকটি কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বাজারে সিলিন্ডারের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অব্যবহৃত সিলিন্ডারগুলো আবার বাজারে এনে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে হবে। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা।
এদিকে, গত ৪ অক্টোবর ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি।
তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন এলাকায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে গ্রাহকদের।
এমন পরিস্থিতিতে দুই দিনের বিক্রি বন্ধের কর্মসূচি কার্যকর হলে গৃহস্থালি রান্নাসহ বিভিন্ন কাজে এলপিজি ব্যবহারকারীরা ভোগান্তিতে পড়তে পারেন।
আরু|



